জেনে নিনশিক্ষা ও স্বাস্থ্য

জেনে নিন পুঁইশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

GNE NEWS DESK: পুঁইশাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন।পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে আছে ক্যালসিয়াম এবং আয়রণ।এই শাক নানাভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। আসুন জেনে নিই পুঁইশাকের উপকারিতা ও অপকারিতা

পুঁইশাকের উপকারিতা:
১. কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে পুঁইশাক বেশ উপকারী।
২. পুই শাঁকে খুবই কম পরিমাণে ক্যালরি ও ফ্যাট থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি।
৩. ভিটামিন সি এবং আয়রন সমৃদ্ধ পুঁইশাক মেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া সহজ করে ক্যালরি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত মোটা হলে পুঁইশাক খাওয়া যেতে পারে কারণ এতে ওজন কমানোর উপাদান রয়েছে।
৪.পুঁইশাক খাওয়ার ফলে শুক্রানুর সক্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। যা শুক্রানুকে সুস্থ-সবল রাখতে সাহায্য করে।
৫. পুঁইশাকে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ফলিক এসিড ইত্যাদি পুষ্টিগুণ হৃদপিণ্ডের জন্য খুব উপকারী। এই উপাদানগুলো শরীরের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ধমনীতে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল জমতে বাঁধা দেয়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমাতে গবেষকরা পুঁইশাক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

৬. পুঁইশাক বিটা ক্যারোটিন, লুটেইন, জিজানথিনের ভাল উৎস। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এসব উপাদান ত্বকে তারুণ্যতা বজায় রাখে। সেই সঙ্গে নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধ করে।
৭. পুঁইশাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৮. ভিটামিন এ সমৃদ্ধ পুঁইশাক দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
৯. প্রতি ১০০ গ্রাম পুঁইশাকে দিনের চাহিদার বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
১০. পুঁইশাকে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক কোঁচকানো বা বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। এটা ত্বকের উপরে বিষাক্ত উপাদান জমতে বাঁধা প্রদান করে এবং ত্বকের টিস্যুগুলোকে মজবুত করে তোলে। এই কারণে সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য ডাক্তাররা প্রতিদিন পুঁইশাকের রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

পুঁই শাকের অপকারিতা : অতিরিক্ত পুঁই শাক খেলে শরীরে নানা রকমের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। কিডনি এবং পিত্তথলির বিভিন্ন সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের অবশ্যই পুঁইশাক খাওয়ার পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। পুঁইশাক অক্সালেটস সমৃদ্ধ, এটি গ্রহণ করলে শরীরের তরল পদার্থে অক্সালেটস এর পরিমাণ বেড়ে যায় এবং এর ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। পুঁইশাকে পিউরিন নামক উপাদান রয়েছে যা অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে শরীরে ইউরিক এসিড বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলে গেঁটেবাত, কিডনীতে পাথর ইত্যাদি রোগ হতে পারে।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel