জেলা

দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুরুলিয়ার সিন্দরী উৎকর্ষ একাডেমী সোসাইটি

পুরুলিয়ার বরাবাজার এলাকার সিন্দরী উৎকর্ষ একাডেমী সোসাইটির কর্মীদের হাত ধরে সুদূর হুগলী, হাওড়া, বর্ধমান, কলকাতার বিভিন্ন চাকরিজীবী ও স্বনির্ভর মানুষ এগিয়ে এলেন হতদরিদ্র শবর আদিবাসী সম্প্রদায়ের 87টি পরিবারের মানুষের কিছুদিনের খাবার সংস্থান করতে ফেসবুকে অধ্যাপিকা তন্দ্রিমা চৌধুরীর স্বহৃদয় ডাকে।

স্যোসাল মিডিয়ায় ভর করে বিভিন্ন কলেজের অধ্যাপিকারা, বিভিন্ন স্কুলের দিদিমণি, মাষ্টারমশাইরা, ভ্রমণ পিপাসু মানুষ, এলআইসি এজেন্ট, গৃহবধু, রিটায়ার্ড সরকারী অফিসার এমনকি 88 বছরের বৃদ্ধাও সাগ্রহে বাড়িয়ে দিলেন সাহায্যের হাত। প্রায় 33-34 জনের সহায়তায় আজ 22 শে এপ্রিল বুধবার সিন্দরী অঞ্চলের ফুলঝোর-খেড়িয়াডি ও শাশাংডি টোলা মুদিডি গ্রামে হত- দরিদ্র শবর জনজাতির মধ্যে চাল, ডাল, আলু, টমেটো,লাউ,করলা, সোয়াবিন, নুন, তেল, গুড়,মুড়ি, সাবান ইত্যাদি খাবার জিনিস তুলে দেওয়া হল উৎকর্ষ একাডেমী সোসাইটির পক্ষে মাষ্টারমশাই বৃন্দাবন মাহাতো মহাশয়ের সক্রিয় সহযোগীতায় ।

আগামীতে আরো কিছু হত- দরিদ্র শবর জনজাতি ও আদিবাসী মানুষ জনকে খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান অধ্যাপিকা তন্দ্রিমা চৌধুরি ও উৎকর্ষ একাডেমী সোসাইটির পক্ষে বৃন্দাবন মাহাতো । বিপদে মানুষ চেনা যায় যেমন, তেমনি বিপদে পাশে দাঁড়ানো শহুরে এই সব দাদা, দিদিরা বড় বন্ধু হয়ে রইল পুরুলিয়ার আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য সুখের দিনেও।

শাশাংডি টোলা মুদিডি গ্রামের ফতু শবর,পশুপতি শবর,রানী মুদি -রা বলেন “লকডাউনের ফলে কাজ করতে না পেরে আমরা দূর্বিসহ আবস্থার মধ্যে ছিলাম ।খাদ্য সংকট মেটাতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার রেশনের ব্যবস্থা করলেও দিন-আনা দিন-খাওয়া হত দরিদ্র মানুষের কাছে তা যথেষ্ট নয়।তাই এই পরিস্থিতিতে সিন্দরী উৎকর্ষ একাডেমী সোসাইটির হাত ধরে তন্দ্রিমাদি ও উনার বন্ধু-বান্ধবীরা সাহায্যের হাত বাড়ায় আমরা খুশি ।আমাদের পক্ষ থেকে উনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই ।”


Tags
Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel
Close