জেলা

অনাথ ‘যীশু’, অসহায় ‘বড়কা’ সহ হোস্টেলের ছাত্রদের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে বিদ্যালয়

কেশপুর : করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের সময় হোস্টেলে থাকা ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো কেশপুর ব্লকের গোলাড় সুশীলা বিদ্যাপীঠ।গোলাড় সুশীলা বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষকসহ সহশিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ মিলে করোনা পরিস্থিতির শিকার মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইতিমধ্যেই “করোনা রিলিফ ফান্ড” তৈরি করেছেন। সেই ফান্ড থেকে আগেই বিদ্যালয়ে প্রতিটি ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য মাস্ক এবং বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা ১৮০ টির বেশি পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে।

 

বর্তমানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরেশ কুমার পড়িয়া ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিদ্যালয়ের হোস্টেলের ছাত্রদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী চাল, ডাল আলু, পেঁয়াজ, সোয়াবিন, মশলা, লবণ, তেল, মাস্ক, সাবানসহ সব মিলিয়ে একবস্তা করে রসদ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন। হোষ্টেলের ছাত্রদের মধ্যে সবচেয়ে সমস্যায় রয়েছে প্রথম শ্রেণীর ছাত্র যীশু ও বড়কা। এরা প্রথম শ্রেণীর পড়লেও অনাথ ও অসহায় হওয়ার কারণে ঠাঁই পেয়েছে গোলাড়ের হোষ্টেলে। এদের খরচ দেন প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা এবং এরা গোলাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। যীশুর বাবা-মা নেই, আর বড়কার বাবা নেই, মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন, সে কাজও আজ বন্ধ। যীশু বর্তমানে ধর্মায় এক আত্মীয বাড়িতে আর বড়কা মায়ের কাছে রয়েছে। কদিন আগেই প্রধান শিক্ষক সুরেশ পড়িয়া নিজে সাইকেল চালিয়ে যীশু ও বড়কার বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে এসেছেন। প্রধান শিক্ষক সুরেশ কুমার পড়িয়া বলেন, ‘হোস্টেল একমাস ধরে বন্ধ। অনেক ছাত্রের বাড়িতে খাবারের অভাব রয়েছে। তাই বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সহকর্মীদের অনুদানে তৈরি ‘করোনা রিলিফ ফান্ড’ থেকে সামান্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি মাত্র। এই ক্ষুদ্র প্রয়াসে ছাত্ররা সামান্য উপকৃত হলে খুশি হবো।’

Tags
Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Close