জেলা

মাতৃ দিবসে ‘মা’ চেনালেন জীবনদেবতা, মেদিনীপুরের শিল্পে ‘ঐক্য’

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন- এর সময়সীমা বেড়েছে। তবু থেমে নেই মাতৃ দিবস ও বিশ্বকবির জন্মদিবস পালন। ঘরবন্দি থেকেই মেদিনীপুরের শিল্পীরা একজোট হয়ে তৈরি করেছেন ভিডিয়ো। কী নেই তাতে! আবৃত্তি, কথা, গান, নাচ, ছবি বাদ যায়নি কিছুই। এই প্রয়াস ঋষি অরবিন্দ শিক্ষক শিক্ষণ মহাবিদ্যালয়ের।

এখানে ‘মা’ বলতে দেশমাতা। আর পরমপুরুষ আমাদের বিশ্বকবি। একসূত্রে তিনি বেঁধেছেন তিন দেশকে। ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার জাতীয় সংগীতের পুঙ্খানুপুঙ্খ ইতিহাস।

সুলগ্না চক্রবর্তীর নির্দেশনায় ও নিসর্গ নির্যাস, সুলগ্নার স্ক্রিপ্টে ফুটে উঠেছে রবি ঠাকুরের দেশ-দেশান্তরের প্রতি ভালোবাসা। ভাষ্যে রয়েছেন, কবি অভিনন্দন মুখোপাধ্যায়, শিক্ষিকা নবনীতা মিশ্র ও নিসর্গ নির্যাস। সংগীত শিল্পী সুমন্ত সাহা, সংগীতশিল্পী সুলগ্না চক্রবর্তী ও অঙ্কিতা রায়। নৃত্যশিল্পী রাজীব খান, সহেলী বেরা খান, শেষাদ্রী মিশ্র। যন্ত্রানুসংগীত শিল্পী শঙ্খদীপ জানা। চিত্রকার গনেশ চন্দ্র দাস। এডিটিং করেছেন সুনীল (বাপী) (Edge)। অনুপ্রেরণায় মহাবিদ্যালয়ের কর্ণধার মিঠুন বারিক।

প্রতিটি শিল্পী ঘরে থেকে মোবাইলেই এই শ্যুটিং করেছে। প্রত্যেক শিল্পীই গৃহবন্দি থেকে আত্মিক যোগাযোগের মাধ্যমে তৈরি করেছেন ‘জীবনদেবতা’। একটি ভিডিয়োতেই উদযাপন করেছেন বিশ্বকবির জন্ম ও মাতৃ দিবস।

Tags
Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Close