জেলা

খুশির খবর, করোনা মুক্ত হয়ে বাঙ্গুর করোনা হাসপাতাল ছাড়া পেলেন ক্ষীরপাইয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক

মণিরাজ ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ক্ষীরপাইয়ের (৭নং ওয়ার্ড) আনন্দপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক (৮৪) এর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল গত ৫ মে। এরপরই তাঁকে, বি এম বিড়লা হাসপাতাল থেকে এম আর বাঙ্গুর (করোনা হাসপাতাল) এ স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এই বয়সেও দ্রুত তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন বলে পরিবারকে প্রথম থেকেই আশার কথা শুনিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে, তাঁর পরিবারের প্রত্যেকের করোনা রিপোর্টই ‘নেগেটিভ’ এসেছে ইতিমধ্যে।

আশ্চর্যজনক ভাবে আক্রান্ত প্রৌঢ়ের, ‘দ্বিতীয়’ (বাঙ্গুরে ভর্তি অবস্থায় প্রথম) করোনা রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছিল গত ৮ মে এবং তাঁর তৃতীয় করোনা পরীক্ষা (বাঙ্গুরের দ্বিতীয়)’র রিপোর্টও নেগেটিভ আসে। এরপরই, গতকাল তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, বাঙ্গুর কর্তৃপক্ষ। আজ (১৩ মে) দুপুর ঠিক ২ টার সময়, সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। খুশি, তাঁর পরিবার! পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত কোনো কার্ডিয়লজিস্ট এর পরামর্শ নিয়ে, তাঁর বুকে পেসমেকার বসানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই পেসমেকার যন্ত্র বসানোর জন্যই তাঁকে গত ২ মে, বি এম বিড়লা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ইতিপূর্বে, মাত্র এক রাতের জন্য তাঁকে মেদিনীপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে, গত ৯ মে, এই বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরতা এক নার্সের করোনা ধরা পড়ে, যিনি এই ক্ষীরপাইয়ের বাসিন্দার চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। এই মুহূর্তে, ঐ করোনা আক্রান্ত তরুণী স্বাস্থ্যকর্মীও বড়মা হাসপাতালে (করোনা হাসপাতাল) সুস্থ হওয়ার দিকে বলে জানা গেছে। ক্ষীরপাইয়ের বাসিন্দার সুস্থতার খবর শুনে খুশি হয়েছেন এবং স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ গিরিশ চন্দ্র বেরা স্বয়ং। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

Tags
Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Close