জেলা

‘পুকুরের মাছ দেখে লাফ দেন মানস ভুঁইয়া’, সবং-এর শহীদ জওয়ানের শেষকৃত্যে গিয়ে বেনজির আক্রমণ ভারতীর

পশ্চিম মেদিনীপুর: অনন্তগড়ের জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং-এর সিআরপিএফ জওয়ান শ্যামল দে। শহীদ শ্যামল দে-র দেহ রবিবার পৌঁছায় তার গ্রামে। সেখানেই আয়োজন করা হয়েছিল বীর শহীদ শ্যামল দে-কে শ্রদ্ধা জানানোর মঞ্চ। শ্রদ্ধা জানাতে এসে বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়াকে। বিজেপি নেত্রীকে পাল্টা দেন সাংসদ মানস ভুঁইয়াও। ফলে শহীদের শ্রদ্ধাঞ্জলিতেও লেগে রইলো রাজনৈতিক তরজা।

শহীদ শ্যামল দে-কে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ মানস ভুঁইয়াকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন “মানস ভুঁইয়া পুকুর দেখে লাফ দেন! যে পুকুরে মাছ আছে, সেই পুকুরে এখন সাঁতার কাটছেন। একজন বীর শহীদের দেহ পড়ে আছে! অথচ মানস বাবু পঞ্চায়েত সদস্যের নাম ডাকছেন, ডিএমের নাম ডাকছেন, এসপির নাম ডাকছেন, এডিজিআই এর নাম ডাকছেন। ১০০ বার মুখ্যমন্ত্রীর নাম বলছেন! অথচ গুলি খেয়ে বীর শহীদ পড়ে আছে, তাঁর সমন্ধে একটি কথাও বললেন না। তার জন্ম তারিখটাও বললেন না। ছোট বেলায় কি করেছিলেন, তাও বললেন না। যারা এক্সিডেন্টে মারা যাচ্ছে তারাও ২ লাখ টাকা পায়, যারা চুল্লু খেযে মারা যায় তাঁরাও ২ লাখ টাকা পায় আর যারা দেশের জন্য গুলি খেয়ে শহীদ হচ্ছেন, তাঁরাও ২ লাখ টাকা? আমি আসতে আসতে ২৫ বার মুখ্যমন্ত্রী নাম শুনলাম! এতো মাখন দেওয়ার জন্য কোথায় পাচ্ছেন মানস বাবু? আপনার গ্রামের ছেলেটির সমন্ধে কিছু তো বলতে পারতেন।”

ভারতী ঘোষের কটাক্ষের পাল্টা দেন রাজ্যসভার সাংসদ মানস ভুঁইয়া। মানস বাবু বলেন “তিনি তার কাজ করেছেন, আমরা আমাদের কাজ করেছি। ৫০০ বার আমি শ্যামলের স্লোগান দিয়েছি। তাও তিনি অন্য কথা বলছেন। আমি নাকি মুখ্যমন্ত্রীর নামে বলেছি! মুখ্যমন্ত্রীর নাম ২০ বার নয় ২০ হাজার বার বলবো। উনি লাঠি নিয়ে মাঠে কাজ করেছেন। মানুষের চোখের জল হিতকারের ক্ষমতা নেই। ভারতী ঘোষের এই মন্তব্যে সমস্ত সবং বাসীকে অপমান করল।”

[qws]Tags: পশ্চিম মেদিনীপুর, সবং,মানস ভুঁইয়া,ভারতী ঘোষ

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel