এ বছর আরও একবার “শিক্ষারত্ন” সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন ঝাড়গ্রাম জেলার বানীপদ পাত্র

This year, once again, Banipada Patra of Jhargram district is being awarded “Shiksharatna”

ঝাড়গ্রাম: গোপীবল্লভপুর-১ ব্লকের ধানশোল আদিবাসী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক বাণীপদ পাত্র এবছর ঝাড়গ্রাম জেলা থেকে একমাত্র ‘শিক্ষারত্ন’ সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন। বিজ্ঞানের স্নাতক ও ইতিহাসের স্নাতকোত্তর ডিগ্রিপ্রাপ্ত ৫৮ বছর বয়সী বানীপদ বাবুর বাড়ি গোপীবল্লভপুরের ছাতিনাশোল গ্রামে। তাঁর জীবন শুরু সহ শিক্ষক হিসেবে ১৯৮২ সাল থেকে। তারপর প্রধান শিক্ষকের পদ পান ১৯৯৪ সাল থেকে।

শিক্ষারত্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন জানতে পেরে তিনি বলছেন, ‘‘এই সম্মান শুধু আমার একার সম্মান নয়। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত দেবনাথ হাঁসদা, প্রাক্তন সম্পাদক ভগানচন্দ্র হাঁসদা, স্কুলের প্রতিটি পড়ুয়া, তাদের অভিভাবক, স্কুলের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং এলাকাবাসীর পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার জন্যই আমার আজকে এই সম্মান প্রাপ্তি সম্ভব হয়েছে।”

বানীপদ বাবু যখন স্কুলে সহ শিক্ষক পদে ছিলেন তখন সেই স্কুলটি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত জুনিয়র হাইস্কুল হিসেবেই ছিল। তারপর তিনি ১৯৯৯ সালে প্রচুর চেষ্টার পর শিক্ষা দপ্তরে আবেদন জানিয়ে স্কুলটিকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত করে হাইস্কুলের অনুমোদন আদায়ে সার্থকতা অর্জন করে। আর তারপর স্কুলটি উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হয় ২০১১ সালে। স্কুলে বাংলা মাধ্যম ও সাঁওতালি মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া হয় পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। বৃত্তিমূলক শিক্ষার পাশাপাশি ইলেকট্রিক্যাল হাউজ অয়্যারিং, মোটর হুইলার রিপিয়ারিং এবং সিভিল কনস্ট্রাকশন নিয়ে শিক্ষা অর্জন করার সুবিধাও বর্তমানে এই স্কুলে রয়েছে।

বর্তমানে স্কুলটিতে মোট পড়ুয়া রয়েছে ৫৪১ জন। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৯০% পড়ুয়াই আদিবাসী সম্প্রদায়ের। বাণীপদবাবু বলেন, ‘‘অবসর নেওয়ার আগে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান শাখা চালু যাতে হতে পারে সেজন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি। সুতরাং এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে স্কুলটির উচ্চস্তরে পৌঁছনোর পেছনে বানীপদ বাবুর অবদান অনস্বীকার্য। স্কুলটিকে সেরা স্কুল হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে তাঁর হাত কিছু কম নয়।
[qws]Tags:এ বছর আরও একবার “শিক্ষারত্ন” সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন ঝাড়গ্রাম জেলার বানীপদ পাত্র

Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel