জেলা

এবছর শারদোৎসবে করোনার থাবায় শোচনীয় আর্থিক অবস্থা মৃৎশিল্পী থেকে শুরু করে জামা কাপড় বিক্রেতা ও স্ট্রিটফুড বিক্রেতাদের

GNE NEWS DESK:২০২০ যেন আমাদের সকলের কাছেই এক দুঃস্বপ্নের বছর হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা আবহে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে চাকুরি হারিয়েছে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ। শুধু করোনাই নয় তার সাথে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল আমফান এর থাবা।

আমফান এর প্রভাবে বহু মানুষ গৃহহীন হয়েছিল। বাদ পড়েনি মৃৎশিল্পীরাও, চূড়ান্ত ক্ষতির মুখে পড়েছিল তারা। তাদের বানানো অনেক প্রতিমাও ভেসে গিয়েছিল। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিমা শিল্পীদের বায়নাও হয়েছে অনেক কম। সবমিলিয়ে এ বছর তারা প্রবল অর্থনৈতিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে দুর্গাপূজা শুরু হওয়ার এক মাস আগে থেকেই গমগম করত হাতিবাগান থেকে শুরু করে গড়িয়াহাট।কিন্তু সেই চেনা ভিড়ে আজ যেন কোথায় হারিয়ে গেছে।

মানুষ এখন ইন্টারনেট পরিষেবা মাধ্যমে অনলাইনে যা চাইছে তাই হাতের মুঠোয় পেয়ে যাচ্ছে। তাই বেশিরভাগ মানুষই এবছর সামাজিক দূরত্ববিধি বজায় রাখার জন্য অনলাইনের মাধ্যমে নিজেদের পুজোর শপিং সেরে ফেলেছে। ফলে চরম বিপদে পড়ছে রাস্তার জামা কাপড় বিক্রেতা থেকে শুরু করে জামা কাপড়ের বড় বড় দোকান গুলি।

এই করোনা পরিস্থিতিতে রাস্তার স্ট্রিটফুড বিক্রেতাসহ বহু হোটেল-রেস্তোরা প্রায় বন্ধের পথে। করোনার দাপটে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে খাবার খাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। পুজো আসলেও মানুষ কতটা রাস্তার খাবার খাবে সে বিষয়েও ঘোর সন্দেহ আছে।

কারণ সামাজিক সচেতনতা বিধি মেনে চলার জন্য এবছর দুর্গাপুজোয় অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক কম মানুষ রাস্তায় বেরোবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই রুপ পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে মৃৎশিল্পীই হোক কিংবা জামা কাপড় বিক্রেতা অথবা হোটেল-রেস্তোরার মালিকই হোক, করোনার কালো ছায়া আজ সকলকেই গ্রাস করে ফেলেছে।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel