জেলা

ব্যাংকের লকার থেকে উধাও ৬০ থেকে ৭০ ভরি সোনার গয়না, ঘোর বিপদে বর্ধমানের সামন্ত পরিবার

GNE NEWS DESK : ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান শহরের বাদামতলা এলাকায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। গ্রাহকের অজান্তেই ব্যাংকের লকার খুলে সমস্ত সোনার গয়না সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ সূত্রের এখনো কোনো খবর পাওয়া যায়নি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাংকের নিরাপত্তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। জানা গেছে বর্ধমান শহরের বনমসজিদ পাড়ার বাসিন্দা পবিত্র সামন্ত‌। প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি এই ব‍্যাংকের গ্রাহক। তার পরিবারের সমস্ত গয়না এই ব‍্যাংকেই রাখতো তারা। তার পরিবারের তরফে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং ব‍্যাংক কর্তপক্ষের তরফ থেকেও পুলিশে অভিযোগ করা হয়েছে।

ওই পরিবারের কর্তা পবিত্র বাবু পুলিশকে জানায়, শনিবার বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ তার বাড়িতে দুজন ব্যক্তি আসেন সেই সময় বাড়িতে তিনি উপস্থিত ছিলেন না, ওই যে দুইজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন তার পুত্রবধু। সেই সূত্রে জানা যায় ওই দুইজন ব‍্যক্তি নিজেদের ব‍্যংকের সদস‍্য বলে দাবি করেন এবং পুত্রবধূ একটি চিঠি প্রদান করেন এবং সে যে সেই চিচিঠিটি পেয়েছে সে কথা লিখিতভাবে সইসাবুদ করিয়ে নেয় তারা। চিঠিতে লেখা ছিল তাদের ব‍্যাংক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তাদের সাথে কিছু আলোচনা করেছে। এরপর তড়িঘড়ি করে ব্যাংকে ছোটন পবিত্র সামন্ত ব্যাংকে যাওয়ার পর ম্যানেজার বাবু তাকে বলেন লক্ষীখোলা এবং তাদের সমস্ত গয়না উধাও। এ বিষয়ে পবিত্র বাবু পুলিশের কাছে জানতে চাইলে তেমন কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি পুলিশ কর্তৃপক্ষ। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ব্যাংকের চাবি তাদের কাছেই ছিল যদি না ব্যাংকের কোন ভিতরের কর্মচারী এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত না থাকলে ঘটনাটি ঘটা কখনোই সম্ভব নয়।

পুলিশ এই ঘটনার পুর্নতদন্ত শুরু করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি পরিবারের সকল সদস্যকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। যায় ওই দুইজন ব‍্যক্তি নিজেদের ব‍্যংকের সদস‍্য বলে দাবি করেন এবং পুত্রবধূ একটি চিঠি প্রদান করেন। এবং সে যে সেই চিচিঠিটি পেয়েছে সে কথা লিখিতভাবে সইসাবুদ করিয়ে নেয় তারা। চিঠিতে লেখা ছিল তাদের ব‍্যাংক অ্যাকাউন্টের বিষয়ে তাদের সাথে কিছু আলোচনা করেছে। এরপর তড়িঘড়ি করে ব্যাংকে ছোটন পবিত্র সামন্ত ব্যাংকে যাওয়ার পর ম্যানেজার বাবু তাকে বলেন লক্ষীখোলা এবং তাদের সমস্ত গয়না উধাও। এ বিষয়ে পবিত্র বাবু পুলিশের কাছে জানতে চাইলে তেমন কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি পুলিশ কর্তৃপক্ষ। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ব্যাংকের চাবি তাদের কাছেই ছিল যদি না ব্যাংকের কোন ভিতরের কর্মচারী এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত না থাকলে ঘটনাটি ঘটা কখনোই সম্ভব নয়। পুলিশ এই ঘটনার পুর্নতদন্ত শুরু করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি পরিবারের সকল সদস্যকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel