জেলা

বৌমার উপর লক্ষীর ভর করতে ১২৬ বছর আগে গড়বেতার সাহা বাড়িতে শুরু হয় লক্ষীপুজো

গড়বেতা: লক্ষীদেবীর ভর বৌমার ওপরে। আর তার পরেই গড়বেতার গদাধর সাহা নিজের বাড়িতে মা লক্ষীর আরাধনা শুরু করেন। একটি বর্ধিষ্ণু গ্রাম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতার খড়কুশমা। গদাধর সাহা এই গ্রামেই বসবাস করতেন। অভাব ছিল না জমি জায়গার।

আর এভাবেই সংসার চালাতেন চাষাবাদ করে। সংসারে ছিল স্ত্রী ও পুত্র। নারায়ণ ও ফকির এই দুই পুত্র। তিনি আবার দুই পুত্রকেও বিয়ে দেন। বিজন বালা সাহার সঙ্গে বিয়ে হয় ফকির সাহার। বিজন বালা ছিলেন অপরুপা সুন্দরী ও খুব করিৎকর্মা। একা হাতেই সংসারের পুরো দায়িত্ব সামলাতেন।

এক সন্ধ্যায় বাড়িতে সবাই যখন বসে আগামী দিনের গল্পে মশগুল সেই সময় হঠাৎ করেই মা লক্ষীর ভর হয় বিজন বালা দেবীর উপর। প্রথমে হতচকিত হয়ে পড়ে বাড়ির সকলেই। পরে তার আরাধনা করার মা লক্ষী স্বয়ং ভরে বার্তা দেন। পরে মা লক্ষী স্বয়ং ভরে বার্তা দেন তার আরাধনা করার। সেই দিন রাত্রেই গদাধর সাহা যখন ঘুমাচ্ছিলেন সেই সময় দেবী তাকে ফের স্বপ্নে দেখা দিয়ে নিজের বাড়িতে তার আরাধনার কথা জানান৷

পরের বছর আলাদাভাবে বাঁশ খড় দিয়ে মন্ডপ বানিয়ে বাড়ির উঠনেই পুজো হয়। তার পর থেকে ওই মন্ডপেই পুজো হয়ে থাকে। বর্তমানে মন্দির সংস্কার করে মার্বেল পাথর বসানো হয়েছে। কিন্তু এবছর পুজোর ১২৬ বছরে পড়লো। তবে এবার মহামারির কারণে এবছর পুজোটা শিথিল করা হয়েছে কিছুটা।

পরিবারের সদস্য সান্তনু সাহা বলেন , আমাদের এই সাহা পরিবারের পুজো প্রতিবছর বারি করে পালিত হয়। এবার পুজোর বারি পড়েছে আমাদের৷ চারদিন ধরে এই পুজোতে যেখানে পরিবারের সকল আত্মীয় সজন আসতেন এবার তা হচ্ছে না৷ আর যারা উপস্থিত থাকবেন তাদের প্রত্যেকের মাস্ক অবশ্যই থাকবে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পুজো অর্চনা হবে৷ প্রতিদিন মন্ডপ স্যানিটাইজার করা হবে।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel