প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
জেলারাজনীতি

“যে নেতারা পোড়া বিড়ি খেত তারা সিগারেট খাচ্ছে”, দুর্নীতি প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ Suvendu Adhikari

GNE NEWS DESK: সোমবার গড়বেতার সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে দুর্নীতি সহ বিভিন্ন প্রসঙ্গে তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)

ছোট আঙারিয়া দিবসে গড়বেতায় সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর দলত্যাগের আগে ‘অরাজনৈতিক’ সভা করার সময় থেকেই তৃণমূল(TMC) একই জায়গায় পাল্টা সভা করার নীতি নিয়েছে। সেই প্রসঙ্গে তৃণমূলের সভা পরিসর ও সাফল্যকে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “এখান থেকে কিছু দূরে এক ঝুড়ি লোক নিয়ে সভা হচ্ছে, আর এখানে দুটো ফুটবল মাঠ নিয়ে সভা হচ্ছে। ২৩ তারিখে কাঁথিতে সভা করল আর ২৪ তারিখে আমি ছক্কা হাঁকালাম। ১০ নভেম্বর সকালে নন্দীগ্রামে ১ লাখ লোকের সভা করলাম আর বিকালে মিনি পাকিস্তান মন্ত্রী বারোশ লোকের সভা করল।” তিনি বলেন, “আমি ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছি আর এদের পায়ে কাঁটা ফুঁটে গেছে।”
তৃণমূল কংগ্রেসকে ছিন্নমূল বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “অটলবিহারী বাজপেয়ী না দেখলে মাননীয়া আপনার দল উঠে চলে যেত।”

বিজেপির সাহায্যের কারণেই তৃণমূল দল হিসেবে টিকে ছিল নিজের বক্তব্যে শুভেন্দু বারবার তা উল্লেখ করে বলেন, “ছোট আঙরিয়াতে সর্বপ্রথম রাজনৈতিক ডেলিগেশন বিজেপি পাঠিয়েছিল। সিবিআই তদন্ত হয়েছিল।”
২০০৬ সালে সিঙ্গুরের অনশনের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন, “সেই দিন কোন নেতা আসেনি। এসেছিলেন রাজনাথ সিং। তাঁর হাতে শরবত খেয়ে অনশন ভেঙে ছিলেন।”
নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় ১৪ ই মার্চ ২০০৭ এর গুলি চালনার ঘটনা উল্লেখ করে শুভেন্দু আরো বলেন, “তার দুইদিন পরে অবরুদ্ধ নন্দীগ্রামে প্রথম এসেছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানী। সঙ্গে সুষমা স্বরাজ, রাজনাথ সিং এসেছিলেন।”

২০০৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তৃণমূল মেদিনীপুর থেকে উঠে গিয়েছিল এই অভিযোগ করে তিনি বলেন, “লোকগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। আর এই লোকগুলো বড় বড় কথা বলছে। ভাঙা সাইকেল ছেড়ে স্করপিও গাড়িতে ঘুরছে। পোড়া বিড়ি ছেড়ে লম্বা সিগারেট খায়। হাতে দামি ঘড়ি। বাচ্চার জন্মদিনে ৫ লাখ আর মেয়ের বিয়েতে হাফ কোটি টাকা খরচ করে। এই লোকগুলোকে আমি এখানে প্রতিষ্ঠা করেছিলাম।”

এই রাজ্যে চাষিদের সর্বনাশ করেছে তৃণমূল সরকার এই অভিযোগও তোলেন শুভেন্দু। বলেন, “৫ টাকায় মাঠে আলু বিক্রি হয়েছে আর ৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আলু বাইরে যেতে দেয়নি, উচিৎ দাম কৃষকদের পেতে দেয়নি। পাঞ্জাব থেকে আলু বীজ আসা বন্ধ হয়ে গেছে।” কৃষক বিল নিয়েও নরেন্দ্র মোদির পক্ষে সওয়াল করেন তিনি।

বিজেপির পুরাতন অভিযোগ পুনরায় তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসীকে না পেতে দেওয়ার উল্লেখ করেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য সাথী ও পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্পকে ‘পাড়ায় পাড়ায় ভণ্ডুল’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু।

নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘তোলাবাজ ভাইপো’ সম্ভোধনে তিনি বলেন, “কয়লা চোর, বালি চোর, পাথর খাদানের টাকা নেয়। সাইকেলের কমিশন খায়। এমনকি কোভিডের সময় ডাক্তারদের গায়ে রেইনকোট পড়িয়েছিল।”
এমনকি ‘তৃণমূলের মালিক’ হিসাবে কটাক্ষ করে বলেন, “তৃণমূল আর পার্টি নেই, কোম্পানী হয়ে গেছে।”

জেলার রাজকে দক্ষিণ কলকাতায় পৌঁছে দেওয়ার সওয়াল করে শুভেন্দু স্লোগান দেন, “১৯ এ হাফ, ২১ শে সাফ।”
এদিনের সভা মঞ্চে দলত্যাগী বেশ কয়েকজন নেতা কর্মী বিজেপিতে যোগ দেন।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel