প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
জেলারাজ্য
Trending

বড় খবর, শিশির অধিকারী হতে পারেন রাজ্যপাল

GNE NEWS DESK: কাঁথির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের একচ্ছত্র আধিপত্য। কিন্তু বিগত সময়ে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব বেড়েছিল বর্ষীয়ান রাজনীতিক শিশির অধিকারীর। শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর কটাক্ষ ও বাদানুবাদ পৌঁছায় চরমে। অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন শিশির। বর্তমানে তিনি কাঁথির সাংসদ কিন্তু মনে করা হচ্ছে বঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হলেই তাঁর সাংসদ পদ খারিজ করার জন্য লোকসভায় স্পিকারের কাছে আবেদন করবে তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেক্ষেত্রে বর্ষীয়ান এই রাজনৈতিক নেতাকে রাজনীতির পরিবর্তে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সম্মানজনক পদ দিতে চাইছে বিজেপি। জল্পনা শুরু হয়েছে সম্ভবতঃ কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল পদের জন্য তাঁকে মনোনীত করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে শুরু হয়েছে তৎপরতা। চলছে রাজ্য বাছাই। দেশের পূর্বাঞ্চলে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া দু’টি রাজ্য কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবনায় রয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে কোন কিছু জানা যায়নি। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভাবনায়, শিশির অধিকারীর যথেষ্ট বয়স হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে সরাসরি রাজ্য রাজনীতিতে তাঁকে এনে তাঁকে রাজনৈতিক বিড়ম্বনায় ফেলতে চাইছেনা দল। বরং তাঁর দীর্ঘদিনের সংসদীয় ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে চাইছে।

অন্যদিকে শিশির দলের এই প্রস্তাব মেনে নিলে তাঁকে সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সেক্ষেত্রে কাঁথি লোকসভায় উপনির্বাচন আবশ্যক হয়ে পড়বে। সে ক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে কাঁথি আসনটি জেতার জন্য অধিকারী পরিবারের উপরেই নির্ভর করতে পারেন বিজেপি নেতৃত্ব। সামনে আসছে শিশির অধিকারীর কনিষ্ঠ পুত্র সৌম্যেন্দু অধিকারীর নাম।

শুভেন্দুর দল ত্যাগের পর কাঁথি পুরসভার প্রধান প্রশাসক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল। এরপরেই শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন সৌম্যেন্দু। সেক্ষেত্রে কাঁথি লোকসভা আসনের জন্য বিজেপির নির্ভর যোগ্য প্রার্থী হতে পারেন তিনি। কারণ কাঁথির রাজনীতিতে শেষ কথা শিশির নিজেও চাইবেন সাংসদ পদটি অধিকারী পরিবারের হাতেই থাকুক।

যদিও বিষয়গুলি সম্পর্কে কোন প্রামাণ্য তথ্য মেলেনি। তবে জানা যাচ্ছে, সমস্ত বিষয়টিই রয়েছে চিন্তা ভাবনার স্তরে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

একই রকমের খবর