জাতীয়

উচ্চতর যোগ্যতার কারনে কর্মক্ষেত্রে বরখাস্ত কর্মপ্রার্থী , যুগান্তকারী রায়দান সর্বোচ্চ আদালতের

GNE NEWS DESK: সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অশোক কুমার ভূষণ, বিচারপতি আর সুভাষ রেড্ডি ও বিচারপতি এম আর শাহ গত বুধবার একটি মামলায় রায় দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, কর্মপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বেশি হলে তা গোপন করে আর কম যোগ্যতার চাকরি করা যাবে না।

পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে পিওন পদে চাকরি পেয়েছিলেন অমিত কুমার দাস। কিন্তু তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা যে স্নাতক তা তিনি চাকরির আবেদনের সময় উল্লেখ করেননি। নিজের যোগ্যতার তথ্য লুকিয়ে রাখার অভিযোগে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। এর বিরুদ্ধে আদালতে যান অমিত কুমার দাস। সেই মামলার পরিপেক্ষিতে সর্বোচ্চ আদালত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষর সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়ে জানায়, “ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ তাদের বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল আবেদনকারীর স্নাতক হওয়া চলবে না। আবেদনকারী নিজের যোগ্যতা গোপন করে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারী ভেবেচিন্তে, ইচ্ছাকৃতভাবে, স্বেচ্ছায় তাঁর যোগ্যতার তথ্য গোপন করেছেন। এটা অন্যায়।”

এই রায়ে ওড়িশা হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায় বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। রায় দিতে গিয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণ, একজন কর্মপ্রার্থী নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেবেন এটাই কাম্য। বাস্তবে তিনি বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন ফলে এই চাকরিতে আবেদন করার যোগ্য তিনি নন।

এই রায়ের ফলে ভবিষ্যতে নিম্ন যোগ্যতার চাকরিতে আর উচ্চ যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এমনিতেই বর্তমানে দেশের অর্থনীতি শোচনীয়। একই রকম ভাবে করোনা ও রুগ্ন অর্থনীতির জোড়া ফলায় চাকরির বাজারেও কোপ পড়েছে। বেকারত্ব বাড়ছে অস্বাভাবিক গতিতে। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশানের এক রিপোর্ট অনুসারে ২০২০ সালে ভারতের যুববেকারত্ব আনুমানিক ২৩.৮% হতে চলেছে। চাকরি প্রার্থী যুব সমাজে ক্ষোভ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel