প্রথম পাতা করোনা আপডেট আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
জাতীয়

কেন্দ্রের সমর্থনেই আলু ও পেঁয়াজের দাম আকাশ ছুঁয়েছে

GNE NEWS DESK : পূর্বে দেখা গিয়েছিল সরকারি আদেশ জারি করে রাজ্য আলু ও পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে সফল হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রীর তালিকা থেকে আলু ও পেঁয়াজকে বাদ দিয়েছে কেন্দ্র। ফলে এখানে আর কোন সরকারি আদেশ জারি করা যাবেনা। সরকার নিজের ভান্ডার থেকে বাজারে আলু পেঁয়াজ ছাড়লেও দাম কোনো ভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। পাইকারি বাজারে আলুর দাম এর কোন তারতম্য না হলেও খুচরা বাজারে সেই আলুর দামই ৬-৭ টাকা কেজি বেড়ে যাচ্ছে। আলুর সাথে পাল্লা দিয়ে সমানতালে বেড়েছে পেঁয়াজের দামও।পেঁয়াজ সংরক্ষণের রাজ্যে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। রাজ্যের তরফ এ কিছু প্রচেষ্টা শুরু হলেও লকডাউনের তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে পিয়াজ সরবরাহের ক্ষেত্রে মহারাষ্ট্র একমাত্র আশাভরসা। রাজ্য প্রতিদিন পিয়াজ লাগে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টন। পুরোটাই আসে বাইরে থেকে।

কেন্দ্র নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা থেকে আলু ও পেঁয়াজ বাদ দিয়ে দেওয়ায় রাজ্যের পক্ষে কোন রকম আইন প্রয়োগ করে বাজারদর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কৃষি আধিকারিক প্রদীপ মজুমদার এর বক্তব্য, “২০১৪ সালে আলুর দর প্রবল হারে বেড়ে ছিল কিন্তু তখন ৪ই জুলাই ও ৭ই সেপ্টেম্বর দুটি আদেশনামার জেরে বাজারে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এবারে আমরা তা করতে ব্যর্থ “। সূত্রের খবর অনুযায়ী ডিসেম্বরের আগে পেঁয়াজের দাম কমার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। ডিসেম্বরে নতুন পেঁয়াজ আসবে। কৃষক বিপণন বিশেষজ্ঞদের দাবি যদি আগস্ট মাসেই পেঁয়াজ আমদানি করা যেত তাহলে হয়তো দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হতো।

এখনো রাজ্যের হিমঘর গুলিতে ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন আলু রয়েছে। সরকার নিজেরাই ৪২ হাজার টন আলু নিজেদের ঘরে রেখেছিল। পরবর্তী দুমাসের মোটামুটি ১১-১২ লক্ষ মেট্রিক টন আলু লাগবে। জানা গেছে এখনো পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মেট্রিক টন আলু কলকাতায় ও জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে। কৃষি বিপণন কর্তাদের সূত্রে জানা গিয়েছে খুচরা বাজারে বুধবার আলুর দাম ছিল ৩৬-৩৭ টাকা। পাইকারি বাজারে বিক্রি হয়েছে ৩০-৩১ টাকায়। হিমঘর থেকে বেরোনো আলুর দাম ছিল ২৬-২৭ টাকা। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে ২-৩ টাকার ফারাক হওয়ার কথা। কিন্তু কলকাতার বাজারে ৬-৭ টাকার তফাৎ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোনভাবেই বাজারে আলুর দাম কমছে না। সরকারের এক শীর্ষ কর্তারা বক্তব্য যদি মানুষ না প্রশ্ন তোলে তাহলে বাজারে কখনোই দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

GNE

Related Articles

x