More

    অকালবোধনে দেবী দুর্গা নয়টি রূপে পূজিতা হন, জেনেনিন দেবীর নয়টি রূপ সম্বন্ধে

    অকালবোধনে দেবী দুর্গা নয়টি রূপে পূজিতা হন। জেনে নিন দেবীর নয়টি রূপ সম্বন্ধে বিস্তারিত...

    spot_img

    Must Read

    অকালবোধনে দেবি দুর্গা নয়টি রূপে পূজিতা হন। সেই নয়টি রূপ কী কী জানেন? আসুন, আজ জেনে নেওয়া যাক দেবীর এই নয়টি রূপের নাম ও তাঁদের তাৎপর্য।

    আনন্দিতার প্রথম রূপের নাম শৈলপুত্রী। শৈল শব্দের অর্থ পর্বত। পুরানে লিখিত দক্ষ প্রজাপতির কন্যা সতী হয়ে দেবী যখন জন্মগ্রহণ করেন তখন শ্মশানচারী শিবের গলায় মালা দেন তিনি। এদিকে এক মহা যজ্ঞে দেবতাদের সকলে আমন্ত্রিত, শুধু ব্রাত্য শিব। এই অপমানের জবাব চাইতে প্রজাপতির কাছে যান সতী। সেই সময় ভিখারি, শ্মশানচারীর মতো বিশেষনে মহাদেবকে ভূষিত করতে থাকেন দক্ষ। স্বামীর অপমান সহ্য করতে না পেরে আগুনে আত্মাহুতি দেন সতী। পরবর্তীতে তিনি শৈলপুত্রী পার্বতী রূপে জন্ম নেন হিমালয় ও মেনকার ঘরে।

    দ্বিতীয় শক্তির নাম হল ব্রহ্মচারিণী। ব্রহ্মাকে স্বয়ং জ্ঞান দান করেন, ভক্তকেও ইনি ব্রহ্মপ্রাপ্তি করান। ব্রহ্মচারিণীর উপাসনা মনোযোগ ক্ষমতা জাগ্রত করে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

    আনন্দিতার তৃতীয় শক্তির নাম চন্দ্রঘণ্টা। মায়ের এই রূপটি দশটি বাহুর, যা থেকে তিনি অশুরদের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য ছিল দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। মহিষাসুর বধের জন্য দেবরাজ ইন্দ্র ঘণ্টা মহামায়াকে দান করেছিলেন যার মধ্যে গজরাজ ঐরাবতের মহাশক্তি নিহিত ছিল। দেবীর এই রূপ মানসিক দৃঢ়তা আনে।

      সংরক্ষিত হবে পুজো উদ্বোধনে মমতার আঁকা দুর্গা

    কৌশিকীর চতুর্থ রূপ কুষ্মান্ডা। উষ্মার অর্থ তাপ। দুর্বিষহ ত্রিতাপ হল কুষ্মা। আর যিনি এই ত্রিতাপ নিজের উদরে বা অঙ্গে ধারণ করেন অর্থাৎ সমগ্র সংসার ভক্ষণ করেন।

    দেবী দূর্গার পঞ্চম রূপের নাম স্কন্দমাতা। দেব সেনাপতি কার্তিকের অপর নাম স্কন্দ। কার্তিকের মা দেবী, তাই তিনি স্কন্দমাতা।

      সংরক্ষিত হবে পুজো উদ্বোধনে মমতার আঁকা দুর্গা

    মায়ের অপর রূপ কাত্যায়নী। কাত্যায়ন ঋষির আশ্রমে দেবকার্যের জন্য আবির্ভূতা হয়েছিলেন দেবী। বৃন্দাবনে আবার তাঁর এই রূপের পরিচয় গোপবালা। ব্রজের গোপবালারা এই কাত্যায়নীর কাছে প্রার্থণা করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণকে পতিরূপে পাওয়ার জন্য। তাই ব্রজে তিনি কাত্যায়নী।

    দেবী সপ্তম রূপ কালরাত্রি। মহাপ্রলয়কালে এই রাত্রিরূপিণী মাতার কোলেই বিলয় হয় বিশ্বের। নৃত্যরত কালভৈরবের দেহ থেকেই আবির্ভূতা ইনি দেবী যোগনিদ্রা মহাকালিকা বা কালরাত্রি নামে আখ্যাত।

    অপরাজিতার আর এক রূপের নাম মহাগৌরী। তাঁর বুকে স্নেহের ভাণ্ডার, স্বামী সোহাগিনী তিনি। তিনিই গৌরবর্ণা দেবী দূর্গা মাতৃবৎসল মূর্তি।

    দেবী দূর্গার নবম রূপটি হল সিদ্ধিদাত্রী। চার হাত বিশিষ্টা অপরূপ লাবণ্যময়ী, ত্রিনয়নী, ভোরের সূর্যের মতো রঞ্জিতা। তিনিই আবার সিদ্ধি দান করেন

    - Advertisement -

    Latest News

    চর্ম রোগ দাদ থেকে মুক্তির অনবদ্য উপায়

    দাদ একটি চর্মরোগ। অতি পরিচিত একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা সংক্রমণ এটি। শরীরের বিভিন্ন স্থানে যেমন- হাত, পা, পিঠ, পায়ের...
    - Advertisement -

    More Articles Like This

    - Advertisement -