প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
রাজনীতিভোটযুদ্ধরাজ্য

‘বিজেপি বংশ পরম্পরার পার্টি নয়’, বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী প্রসঙ্গে মমতাকে কটাক্ষ অমিত শাহের

'BJP is not a party of dynasty', Amit Shah scoffs at Mamata for CM post in Assembly elections

GNE NEWS DESK: সোমবার দিল্লিতে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিলেন অমিত শাহ। পশ্চিমবঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। সেই প্রসঙ্গও উঠে এল এই সাক্ষাৎকারে।

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে একাধিক তৃণমূল নেতা দলত্যাগ করে বিজেপিতে এসেছেন। তাঁদের অনেকেরই বিরুদ্ধে রয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ। তদন্ত চলছে বেশ কয়েকটি মামলার। সেই প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সেই সমস্ত মানুষ বিজেপিতে থাকলেও তারা পরবর্তীকালে বিজেপিতে কোনও দুর্নীতি করতে পারবে না, কারণ তাদের উপর নজরদারি চলবে। তিনি আরও বলেন, সেই সমস্ত মানুষ নিজের পুরনো দলের প্রতি আস্থা হারিয়েছে তাই বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তারা জিতবে না হারবে, মানুষ ঠিক করবে।

মুকুল রায় প্রসঙ্গে অমিত শাহ বলেন, মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চলছে, আদালত ঠিক করবে কে দোষী। বিজেপি সে মামলা প্রত্যাহার করেনি। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, মুকুল যদি দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে তাঁকে নৈতিক কারণে ইস্তফা দিতেই হবে।

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনো ঘোষণা করা হয়নি মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। সেই বিষয়ে শাহর মতামত, অভিযুক্ত নেতারা মন্ত্রিসভায় থাকবেন কী না, তা যিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তিনিই ঠিক করবেন। সেই সঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তাঁর বক্তব্য, দিদি কাউকে বানাতে পারেন, কাউকে ফেলেও দিতে পারেন, আমাদের বংশ পরম্পরার পার্টি নয়। সংসদীয় বোর্ড বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করবে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

বিজেপির তরফে তাঁর প্রতিশ্রুতি, ২৫০০ কোটি টাকা পাট শিল্পের পুনরুজ্জীবনের জন্য রাখা হয়েছে। এছাড়াও, বিজেপি সংকল্পপত্র মেনে এক কোটি রোজগার হবে। রাজ্যে জমির অভাব রয়েছে, এ জন্য ‘ল্যান্ড ব্যাঙ্ক’ তৈরি হবে।

বিভিন্ন জনসভার মতোই সাক্ষাৎকারে অমিত দাবি করেন, রাজ্যে বিজেপি ২০০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসবে। 

পেট্রোল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের ঊর্ধ্বমুখী দাম প্রসঙ্গে তাঁর জবাব, এটা অস্থায়ী, কিছুদিনের মধ্যেই তা মিটে যাবে। সিএএ বা এনআরসি নিয়ে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, রাজ্যের মুসলিমদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। কারণ সিএএ নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, ছিনিয়ে নেওয়ার নয়।

একই রকমের খবর