✍️ তপনকান্তি মাহাতো
লক্ষ লক্ষ ক্লাবপ্রেমীদের আবেগ নিয়ে ব্যবসা করতে গিয়ে বাঙালীর ফুটবলের বারোটা বাজালেন এই অযোগ্য মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের ক্লাব কর্তারা। এই সেদিনও মোহন ইস্ট মুখোমুখি হলেই মাঠ ভরে যেত। এমনকি এই দুই দলের যে কোন খেলাতেই সমর্থকেরা মাঠ ভরিয়ে দিত। আজ এই দুই দলের সমর্থকদের সেই আবেগ, উন্মাদনা আর নেই। অযোগ্য, নির্বোধ ক্লাবকর্তারা দিনের পর দিন সমর্থকদের সেই আবেগকে মর্যাদা না দিয়ে তাদের বার বার হতোদ্যম করেছেন। তাই আজ বাঙালি ফুটবলটাই ভুলতে বসেছে।
- Advertisement -
এখন ফুটবল দলগুলিতে আর বাঙালি স্টার প্লেয়ার দেখা যায়না। ভারতীয় টিমে একসময় বেশীরভাগ বাঙালি খেলোয়াড়দের ভিড় থাকতো, আর আজ বাঙালীদের ছাড়াই ভারতীয় ফুটবল টিম হতে পারে। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল না থাকলে বাংলার ফুটবল থাকবে না, মোহন-ইস্ট না এগোলে ভারতীয় ফুটবল এগোবে না। এই সহজ সত্যটা অস্বীকার করলে বাংলা তথা ভারতীয় ফুটবলের কবর অবশ্যম্ভাবী। আজ মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বি। কিন্তু সমর্থকদের মনে সেই উত্তেজনা, উন্মাদনা নেই। আবেগ নিয়ে কর্তারা ব্যবসা করতে গিয়ে দু’টি দলকেই ডুবিয়ে দিলেন। যার তার কাছে হার দেখতে দেখতে সমর্থকেরা দলের খেলা থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল মাঠে নামতো জেতার জন্য, শুধু খেলায় অংশগ্রহনের জন্য তো অন্যরাও আছে। কর্মকর্তারা এটাই বুঝে উঠতে পারলেন না।
- Advertisement -
(বিঃদ্রঃ – মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)