প্রথম পাতা করোনা আপডেট আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
---Advertisement---
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিআন্তর্জাতিক
Trending

বিজ্ঞানিদের বিস্ময়কর আবিষ্কার, ৫ মিনিটে শনাক্ত হবে করোনা ভাইরাস

GNE NEWS DESK:পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ে করোনাভাইরাস শনাক্ত করতে সক্ষম একটি র‌্যাপিড কোভিড-১৯ পরীক্ষা ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তাদের উদ্ভাবিত এই ব্যবস্থা বিমানবন্দর এবং ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে গণহারে করোনা পরীক্ষার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

আগামী বছরের শুরুর দিকে করোনা পরীক্ষার ডিভাইসটি তৈরির কাজ শুরু হতে পারে বলে আশাপ্রকাশ করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়; এর ছয় মাস পর অনুমোদন পেলে ডিভাইসটি সহজলভ্যও হতে পারে।

এক প্রি-প্রিন্ট গবেষণায় অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ডিভাইসটি করোনাভাইরাসকে শনাক্ত এবং অন্যান্য ভাইরাস থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে আলাদা করতে সক্ষম।

GNE

অক্সফোর্ডের পদার্থ বিদ্যার অধ্যাপক অ্যাকিলিস ক্যাপানিদিস বলেছেন, আমাদের পদ্ধতিটি করোনাভাইরাসের নিষ্ক্রিয় কণা দ্রুত শনাক্ত করে। এর অর্থ হলো- এই পরীক্ষা ব্যবস্থাটি হবে একেবারে সহজ, অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং সাশ্রয়ী।

করোনাভাইরাসের অব্যাহত বিস্তারের মাঝে গণহারে পরীক্ষা এবং অর্থনীতি পুনরায় চালু করার জন্য র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষাকে প্রধান অস্ত্র হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু বর্তমানে দ্রুত এবং সস্তার র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা বিদ্যমান থাকলেও সেগুলো পিসিআর পরীক্ষার চেয়ে কম নির্ভুল।

স্বাস্থ্য সেবাবিষয়ক কোম্পানি সিমেন্স হেলথিনিয়ার্স বুধবার ইউরোপে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা কিট চালুর ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এই কোম্পানি হিমশিম খেতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে।

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা অত্যন্ত দ্রুত সময়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষার যে ব্যবস্থা উদ্ভাবন করেছেন; তা বাজারে আসতে পারে আগামী বছরের শেষের দিকে। এদিকে, যে কোনও একটি ভ্যাকসিন তৈরি হলেও করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেই বিশ্বকে বাঁচতে হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। তারপর এই ভাইরাসটি বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ছাড়িয়েছে ৩ কোটি ৮৮ লাখ এবং মারা গেছেন ১০ লাখ ৯৮ হাজারের বেশি।

Related Articles

x