আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ২০ লক্ষ মানুষকে দের দলে টানতে তৎপর গেরুয়া শিবির!

Before the upcoming assembly elections, Gerua Shibir is active in attracting 20 lakh people from the minority community.

GNE NEWS DESK: দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে ভোট।কোনো দলই ফাঁক ফোঁকর রাখতে রাজি নয় প্রস্তুতিতে। জোর প্রস্তুতি চলছে গেরুয়া শিবির এও।তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসানোই হলো মূল লক্ষ্য তাদের। এবার ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের লক্ষ্যে ২০ লক্ষ মুসলিম সদস্যকে দলে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই সেই কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে।

প্রথম থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ করে আসছে তৃণমূল। এবার সেই কথা কেই ভুল প্রমাণ করতে চায় বিজেপি। সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি বলেন, “তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে উদগ্রীব হয়ে আছি। মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রায় ১০০ শতাংশ তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। সেখানে ভাঙন ধরানোই আমাদের উদ্দেশ্য। তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে ভাঙন ধরাতে পারলে ২০২১-এ পরিবর্তনের কাজটা অর্ধেক সারা হয়ে যাবে।”

গত কয়েক মাসের মধ্যেই প্রায় ৪ লক্ষ মুসলিম বিজেপি তে যোগ দেন। আর ৪ মাসে সেই সংখ্যাটা ২০ লক্ষ তে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আছে বিজেপি শিবিরের।

বিজেপি নেতা আলি হোসেন বলেন, “সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেক বুদ্ধিজীবী এবং শিক্ষিত যুবক এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন যে বিজেপি ‘সকলের উন্নয়নে’ বিশ্বাস করে। বিরোধী দলগুলি নাগরিকত্ব সংশোধন আইন বা সিএএ নিয়ে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করছে। এখন লোকেরা বুঝতে পেরেছে যে এর সঙ্গে নাগরিকত্বের কোনও যোগসূত্র নেই।”

সংখ্যালঘুদের নিজেদের দলে টানার চেষ্টা বিজেপি অনেকদিন ধরে করছে। কিন্তু বাঁধ সেধেছিল এই এনআরসি আর সিএএ। এই সময় সংখ্যালঘুরা বিজেপি বিমুখ হয়ে পড়ে। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে। করোনা আবহে এই নিয়ে এখন আর আন্দোলন হচ্ছে না। তাই আবার ভোটব্যাঙ্ক এ সংখ্যালঘুদের ফেরানোর চেষ্টায় তৎপর হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির।

বিজেপির অন্দরমহল থেকে শোনা গেল তৃণমূল শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে তৃণমূল নেতারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা তারা পালন করতে পারেননি। প্রবঞ্চিত হয়েছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। তারা তাই এবার সঠিক রাজনীতি কে বেছে নিচ্ছেন। আস্তে আস্তে গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকছেন মুসলিমরা। ধর্মনিরপেক্ষ যে আসলে কোন রাজনৈতিক দল ধীরে ধীরে বুঝতে পারছেন তারা।

যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায় (partho chattopadhyay) ব্যঙ্গ এর সুরে মন্তব্য করেন, ‘সংখ্যালঘুরা কখনই বিজেপির মতো সাম্প্রদায়িক শক্তিকে বিশ্বাস (Shakti Bishwas) করতে পারে না। তৃণমূল রাজ্যের সর্বাধিক ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি, যা সমস্ত সম্প্রদায়ের বিকাশের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। ভবিষ্যতেও সকলের জন্য কাজ করবে।’ তাই নির্বাচনের আগে ভোটব্যাংকে খতিয়ে না দেখে কিছুতেই বলা যাচ্ছে না যে কোন শিবির সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে বেশি এগিয়ে। শেষ উত্তর দেবে নির্বাচনের ফলাফল।
[qws]Tags: আপডেট খবর,বাংলা খবর,করোনা আপডেট, আজকের রাশিফল, bengalinews, ভারতের খবর, আজকের খবর, আবহাওয়ার খবর,ঝাড়গ্রাম, উপকারিতা, দেশের খবর, আজকের নিউজ,

Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel