রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা মেরে টুইট রাজ্যপালের! পাল্টা জবাব মুখ্যমন্ত্রীর ও!

Governor tweets to the Chief Minister! The counter-reply of the Chief Minister!

GNE NEWS DESK: গত সোমবার সারা নবান্ন হুলুস্থুল পড়ে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata Banerjee) কৃষি বিল নিয়ে সোচ্চার হয়ে উঠেছিলেন। এই নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে কথা শোনান ছাড়েননি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর (jagadish dhankhar) । তিনি বলেন শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী কুমিরের কান্না কাঁদলেই কৃষকদের দের উন্নতি হবে না। রাজ্য সরকারের জন্যই কৃষকদের এত দুর্দশা এ রাজ্যে । কৃষক সম্মান নিধি যোজনার আওতায় ৮৪ হাজার কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দ করেছিলেন। তা রাজ্য সরকারের জন্যই এ রাজ্যের ৭০ লক্ষ কৃষক তার থেকে বঞ্চিত হয়েছে ।না হলে এতদিনে প্রত্যেকের একাউন্টে বারো হাজার টাকা করে জমা পড়তো।

এদিন রাজ্যপাল একটি নয় তিন তিনটি টুইট করেছিলেন। প্রথম টুইট এর সঙ্গে তিনি একটি চিঠিও যোগ করেন। তাতে ডিয়ার চিফ মিনিস্টার বলে সম্বোধন করে বলা হয়েছে,” রাজ্য সরকারের গড়িমসি ও অকর্মণ্যতার জন্য ৭০ লক্ষ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির সুবিধা পাননি। রাজ্য সরকার যদি যথাসময়ে উদ্যোগ নিত, তাহলে কৃষকদের জন্য আসত ৮৪ হাজার কোটি টাকা। প্রত্যেক কৃষক তা থেকে ১২ হাজার টাকা করে পেতেন।”
এখানে রাজ্যপাল আরো বলেন এ রাজ্য সরকারের গড়িমসির কারণে সারা দেশের কৃষকরা প্রধানমন্ত্রীর এই প্রকল্পের সুবিধা পেলেও এরাজ্যে কৃষকরা তা পাননি। আলাদা করে কোন রাজ্যকে বহন করতে হচ্ছে না কৃষকদের জন্য এর দায়ভার, সম্পূর্ণ রয়েছে কেন্দ্রের ওপর। কিন্তু এত গাফিলতি কি করে করতে পারেন একটি রাজ্য সরকার যেখানে কৃষকরা কেন্দ্র সরকার এর প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। তিনি আরো লিখেছেন, “কোভিড অতিমহামারীর সময় কেন্দ্রীয় সরকার ৩.৫ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। রাজ্য সরকার যদি যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির সুবিধা নিত, তাহলে ওই প্যাকেজ থেকেও ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি পেতে পারতেন এরাজ্যের কৃষকরা।” সবশেষে রাজ্যপাল বলেন তিনি মনে করেন কৃষকরাই অর্থনীতির সব থেকে বড় মেরুদন্ড। কিন্তু কোন রাজ্যের সরকারের জন্য যদি কৃষকরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন তাহলে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তা গুরুত্বের সাথেই ভেবে দেখা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, সোমবার রাজ্যসভায় কৃষি বিল নিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর কারণে ব্রায়ান, দোলা সেন সহ আট জন এমপিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু এর পরেও তারা গান্ধী মূর্তির সামনে ধর্নায় বসেন এবং কৃষি বিল নিয়ে ফের সোচ্চার হয়ে ওঠেন। তুমুল বিক্ষোভ দেখান তারা এবং অধিবেশন ছাড়তেও তারা নারাজ ছিলেন। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নিয়ে বলেছেন এদেশে হিটলারের শাসন চলছে। খুব শীঘ্রই এই সরকারের কৃষক দরদের মেকি চেহারাটা সবার সামনে আসবে। কৃষি বিল নিয়ে রাস্তায় নামতে প্রস্তুত তৃণমূল বলে জানান তিনি।
[qws]Tags: আপডেট খবর,বাংলা খবর,করোনা আপডেট, আজকের রাশিফল, bengalinews, ভারতের খবর, আজকের খবর, আবহাওয়ার খবর,ঝাড়গ্রাম, উপকারিতা, দেশের খবর, আজকের নিউজ,

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel