প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
রাজ্যরাজনীতি

নবান্ন কি বিজেপির দখলে? বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে পদ্ম শিবিরের আসন সমীক্ষায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

GNE NEWS DESK: সামনেই বিধানসভা ভোট। বাংলার নবান্ন মসনদ দখলে বিজেপি বদ্ধপরিকর। তাই নতুন বছরের শুরুতেই পদ্ম শিবির শুরু করেছে অভ্যন্তরীণ আসন সমীক্ষা। অমিত শাহের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য বিজেপির ২২টি আসনের লক্ষ্য ছিল। শেষ পর্যন্ত ১৮টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। তবে কয়েকটি আসনে হারের ব্যবধান খুব কম ছিল। মূলত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতেই বিধানসভার লড়াইয়ে নামার আগে আসন সমীক্ষা শুরু করেছেন বিজেপি নেতারা।

আসন্ন বিধানসভা ভোটের আসন সংখ্যার লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছেন অমিত শাহ। বিজেপির লক্ষ্য ২০০ আসন। প্রসঙ্গত মঙ্গলবার খড়দহে দলের সভায় শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচনের ফলের নিরিখে ১২০টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তাই ‘ম্যাজিক ফিগার’ ১৪৮ আসতে প্রয়োজন ৩০টির মতো আসন। রাজ্য নেতা ও বাংলার ভারপ্রাপ্ত নেতাদের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিধানসভা নির্বাচনে ১৫০ থেকে ১৬০টি আসনে বিজেপি জয় পেতে পারে বলে মনে করছে বিজেপির অন্দরমহল।

সাংগঠনিক ভাবে বাংলাকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করে নিয়েছে বিজেপি। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গের সব জেলা নিয়ে উত্তরবঙ্গ জোন। সেখানে আসনের সংখ্যা ৫৪। দলের হিসাব, ওই জোনে ৩০ থেকে ৩৫টি আসন মিলতে পারে। পাহাড়ে বিমল গুরুং এর বিরোধিতার কারনে দার্জিলিং লোকসভা আসনের সাতটি আসনের মধ্যে দু’টির বেশিতে জয় পাওয়া যাবে না বলেই মনে করছে বিজেপি। জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় তৃণমূল বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় আশাবাদী বিজেপি। এরপরে নবদ্বীপ জোন। আসনসংখ্যা ৬৩, রয়েছে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাংশ। বিজেপির আশা, এই এলাকায় ২৫ থেকে ৩০টি আসনে জয় হতে পারে। বনগাঁ ও রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সব বিধানসভা আসনেই জয়ের সম্ভাবনা দেখছে দল। কৃষ্ণনগর ও বারাসত লোকসভা এলাকা থেকে চারটি করে আসন জয়ের আগাম সম্ভাবনা দিচ্ছে সমীক্ষা। বিজেপির হিসাব অনুযায়ী, অর্জুন সিংহের ব্যারাকপুর লোকসভা এলাকা থেকে আমডাঙা ছাড়া বাকি ছ’টি আসনেই জয় পাবে তারা।

রাজ্যে বিজেপির রাঢ়বঙ্গ জোনে দুই বর্ধমান জেলা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও বীরভূম জেলা মিলিয়ে ৫৭টি আসন। এখানকার বেশ কয়েকটি লোকসভা আসন ‌দখলে থাকায় বিজেপি মনে করছে, ওই জোনে ৩০ থেকে ৩৫টি আসন পেতে সমস্যা হবে না। বস্তুত, এই জোনের আসানসোল, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপর এবং পুরুলিয়া লোকসভা এলাকার সব আসনেই জয় মিলতে পারে ধরে নিয়ে অঙ্ক কষছে বিজেপি।

দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া ও হুগলি জেলার আসনগুলি নিয়ে রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক জোন মেদিনীপুর। সেখানে মোট ৬৯টি আসন। তৃণমূল ছেড়ে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে দলের আশা এখান থেকে বড় সংখ্যায় আসন মিলতে পারে। দলের অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ৩৫ থেকে ৪০টি আসন জয় হতে পারে এই জোন থেকে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের লোকসভা কেন্দ্র মেদিনীপুর ও ঘাটালের আসনগুলিতে দল ভাল ফল করবে বলে মনে করেছে বিজেপি। বিজেপির আশা, বড় সংখ্যায় আসন মিলতে পারে হুগলি, আরামবাগ, শ্রীরামপুর লোকসভা এলাকা থেকে।

বিজেপি-র কলকাতা সাংগঠনিক জোনে রয়েছে ৫১টি আসন। কলকাতা ছাড়াও সম্পূর্ণ দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার একাংশ। এই অঞ্চল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। তাই বিজেপির তরফে সদ্য এই জোনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। তিনি একটা বড় সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার তৃণমূল সভাপতিও ছিলেন। তাই বিজেপির আশা, ১০ থেকে ১২টি আসন মিলতে পারে এই এলাকায়।

গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী মনে করা হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচনে ধর্মীয় মেরুকরণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে। সে ক্ষেত্রে ভোট ভাগ বিজেপির সুবিধা করবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতারা।

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel