রাজ্যজেলারাজনীতি

তৃণমূলের জেলা সভাপতি পদ থেকে অপসারিত শিশির অধিকারী, “চেনটা ছিঁড়ে গেল”, মন্তব্য শিশিরের

GNE NEWS DESK: ইঙ্গিত মিলেছিল মঙ্গলবারেই, যখন তাঁকে সরিয়ে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান করা হয়েছিল অখিল গিরিকে। এবার প্রত্যাশা মতোই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ শিশির অধিকারীকে।

বুধবার তৃণমূলের তরফে পূর্ব মেদিনীপুরের নতুন জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন যে সভাপতি হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পিংলার বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্র। শিশির অধিকারীকে নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান পদ দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই পদ তৃণমূলের অন্দরে নেহাতই আলঙ্কারিক। তৃণমূলের সাংগঠনিক রীতি অনুযায়ী সভাপতিই জেলা কমিটি পরিচালনা করেন।

প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনীতিতে অধিকারীদের বিরোধী হিসাবেই পরিচিত নতুন সভাপতি সৌমেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, অধিকারী পরিবারের দুই ছেলে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই সিদ্ধান্ত ছিল কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা। জেলা সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর করা হয়েছে অধিকারী বিরোধী বলে পরিচিত মামুদ হোসেন, শেখ সুপিয়ান, গৌরমোহন দাস ঠাকুরদের। কমিটিতে আছেন অধিকারীদের বিরোধী রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরিও। ফলে দলের তরফে বার্তা স্পষ্ট, তৃণমূল মেদিনীপুরের রাজনীতিতে অধিকারীদের প্রভাব খর্ব করতে বদ্ধপরিকর।

ঘটনায় শিশির অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, গলার চেনটা ছিঁড়ে গেল। তবে বকলসটা এখনও আটকে আছে।
তিনি আরও বলেন, “২০০৬ সাল থেকে আমি কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। পরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। এটা ২০২১ সাল। এতদূর তো আমিই টেনে নিয়ে এলাম।”

তাঁকে কমিটিতে এখনও চেয়ারম্যান হিসেবে রাখা হয়েছে। কিন্তু কমিটি থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া হলে কি করবেন তার উত্তরে প্রবীণ রাজনীতিক বলেন, “সন্ন্যাস নিয়ে নেব! এরা যা অপমান করেছে, তাতে এদের কাছে ফিরে যাওয়ার আর ইচ্ছা নেই। কাঁথি শহরে মাইক বাজিয়ে যে ভাষায় আমার আর আমার পরিবারের আদ্যশ্রাদ্ধ করা হয়েছে, তেমন আমি আমার এত বয়স পর্যন্ত কখনও শুনিনি।”

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel