প্রথম পাতা করোনা আপডেট আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
জেলা

মমতার মন্ত্রীসভায় একাধিক নতুন মুখের সম্ভাবনা, জল্পনা ঝাড়গ্রামের বীরবাহাকে নিয়েও

GNE NEWS DESK: বুধবার তৃতীয় দফায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজভবনে শপথ নিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহামারী পরিস্থিতিতে রাজ্যে করোনা নিয়ন্ত্রণকেই প্রাথমিক উপজীব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রথম দিনেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে বাড়াতে চেয়েছেন কাজের গতি।

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীত্ব অপরিবর্তিত থাকবে তা জানা থাকলেও মমতার মন্ত্রীসভায় কারা ঠাঁই পেতে চলেছেন এই প্রসঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, এবারে তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থীদের তালিকায় ৫০ জনের বেশি নতুন মুখের সংযোজন ঘটেছে। তাই রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিমত, এবারের মন্ত্রীসভায় নতুন মুখের আধিক্য দেখা যেতে পারে। এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো গত মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য দল ত্যাগ করে বর্তমানে বিজেপিতে। দল ছেড়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ফলে তাঁদের অভিজ্ঞতার অভাব তৈরি হতে পারে মন্ত্রীগোষ্ঠিতে। বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ সদস্য এবারে প্রার্থী হননি। যেমন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, কারিগরী শিক্ষামন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু প্রমুখ। আবার ভোটে লড়েও হেরেছেন শ্যামল সাঁতরা, গৌতম দেব, শান্তিরাম মাহাতো।

সেই কারণেই জেলার স্তরের বেশ কিছু নেতার নাম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে দলের অন্দরমহলে। তেমনই এক নাম বীরবাহা হাঁসদা। এবারের নির্বাচনে অন্যতম কঠিন ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিটে জিতেছেন তিনি। বীরবাহা হাঁসদা ভারতীয় সাঁওতালি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। পেশার অভিনেত্রী হলেও তাঁর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক রাজনৈতিক অতীত সুবিদিত। পিতা নরেন হাঁসদা ছিলেন ঝাড়খন্ড পার্টি (নরেন) রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা। এই দলের হয়ে তার বাবা ও মা চুনিবালা হাঁসদা বিধানসভার সদস্য ছিলেন। বীরবাহা হাঁসদাও আগে ঝাড়খন্ড পার্টি (নরেন) নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু জেতেননি। এরপর তিনি তৃণমূলে যোগদিলে দলের তরফে ঝাড়গ্রামে প্রার্থী করা হয় তাঁকে। তাঁকে জেতাতে ঝাড়খন্ড পার্টি (নরেন) এই আসনে প্রার্থী দেয়নি। এমনকি ঝাড়খন্ড পার্টি (নরেন) দলের বর্তমান নেত্রী, বীরবাহা হাঁসদার মা চুনিবালা হাঁসদা প্রকাশ্যে কন্যার হয়ে সওয়াল করেন। আসনের বিচারে এবং বিগত লোকসভা ভোটের বিচারে ঝাড়গ্রাম আসনটি তৃণমূলের জন্য বিশেষ কঠিন ছিল। বিভিন্ন ভোট বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে এখানে এগিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে বাজিমাত করেছেন বীরবাহা। অন্যদিকে তিনি আদিবাসী সমাজের তরুণ প্রতিনিধি ও জঙ্গলমহলের প্রতিনিধি। সেই হিসাবে মন্ত্রীসভায় তাঁর অন্তর্ভুক্তির বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে।

GNE

Related Articles

x