প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
ভোটযুদ্ধরাজনীতিরাজ্য

নির্বাচনে BJP সরকার গঠন করলে Chief Minister হবেন কে?

GNE NEWS DESK: আসন্ন নির্বাচনে যুযুধান দুই পক্ষ তৃণমূল(TMC) ও বিজেপি(BJP)। বাংলায় সরকার(Government) গঠনে বদ্ধপরিকর বিজেপি। একাধিক বিজেপির কেন্দ্রীয় স্তরের নেতা ঘাঁটি করেছেন বাংলায়। মুহুর্মুহু সভা করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তৃণমূলের তরফে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী নির্দিষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের মূল প্রতিপক্ষ বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী(Chief Minister) পদপ্রার্থীর নাম এখনো সরাসরি উল্লেখ করেনি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে রাজনৈতিক স্তরে দানা বাঁধছে বিভিন্ন জল্পনা। নাম উঠছে একাধিক নেতার তার মধ্যে যে দুটি নাম ধীরে জল্পনা বেশি তার একটি শুভেন্দু অধিকারী, অন্যটি দিলীপ ঘোষ।

বিগত নির্বাচনী সভা গুলিতে বিজেপি নেতারা বারবার স্পষ্ট করেছেন পশ্চিমবঙ্গের কোন নেতা হবেন বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী। অমিত শাহ বারবার উল্লেখ করেছেন বাংলার ভূমিপুত্রের প্রসঙ্গ। মেদিনীপুরে নরেন্দ্র মোদি একই বার্তা দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী এবং দিলীপ ঘোষ দুজনের নাম আলোচনায় এলেও পাল্লা কিছুটা হলেও ভারী দিলীপ ঘোষের দিকে।

মেদিনীপুরে অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদী একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী সম্পর্কে ভূমি পুত্রের উল্লেখ করেছেন। সেই হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী এবং দিলীপ ঘোষ দুজনেই মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র। কিন্তু এখানে একটি প্রশ্ন উঠে আসে, বিজেপির সরকার যে যে রাজ্যে আছে সমীক্ষা করলে দেখা যায় সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সাধারণত দীর্ঘদিন বিজেপি নেতা অথবা আরএসএস ঘনিষ্ঠ কোন প্রার্থী। সেই হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে বিজেপি সম্পর্ক খুব বেশিদিনের নয়। তিনি একদা ছিলেন তৃণমূলের নেতা। খুব সম্প্রতি তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপির নন্দীগ্রামের প্রার্থী হয়েছেন, বিজেপিতে তিনি আনকোরাও বটে।
অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন আরএসএস-এর সঙ্গে। বিজেপিতে যোগদানের পর সরাসরি তাকে নিয়ে আসা হয় রাজ্য নেতৃত্বে। বর্তমানে তিনি বিজেপির রাজ্য সভাপতি। আরএসএস থেকেই তার রাজনৈতিক উত্থান। নির্বাচনী ক্ষেত্রের থেকে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে তিনি বেশি সাবলীল। যদিও বিজেপির নির্বাচনী পরিমন্ডলেও তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। প্রথমবার বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন বিগত বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে 2016 সালে। প্রথম বারেই নির্বাচিত হয়েছিলেন বিধায়ক হিসাবে। 2019 সালে লোকসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির প্রার্থী হন মেদিনীপুর কেন্দ্রে। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে মেদিনীপুরের সাংসদ হন। কিন্তু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাৎপর্যপূর্ণভাবে তাকে প্রার্থী করেনি বিজেপি। বিজেপির একাধিক সাংসদকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী করা হয়েছে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আগত একাধিক নেতা ও প্রাক্তন বিধায়কেও। যদিও অন্যান্য রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠনের চিত্র দিকে নজর রাখলে দেখা যায়, বিজেপি সাধারণত নিজেদের সংগঠনের কোনো নেতাকে অথবা আরএসএস ঘনিষ্ঠ কোন নেতাকে সামনের সারিতে নিয়ে এদেশে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে। সেই দিক থেকে বিচার করলে দিলীপ ঘোষ এই নির্বাচনে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে শক্তিশালী মুখ। বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সারিতে আরএসএস ঘনিষ্ঠতা ও দীর্ঘদিন সাংগঠনিক উপস্থিতি বিবেচিত হবে। তখন কোন জয়ী কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচন করা যেতে পারে। রাজনৈতিক সমীক্ষা বিচার করলে দিলীপ ঘোষ সম্ভবত বিজেপি-র অঘোষিত মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী।

একই রকমের খবর