জেলা

হুল দিবসে আলাদাভাবে ঝাড়গ্ৰামে রাজ্যের দুই মন্ত্রী

ঝাড়গ্রাম : ঝাড়গ্রামে হুল দিবস উদযাপনের জন্য সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং লালগড়ের রামগড়ে আদিবাসী সমাজের ডাকে হুল দিবস উদযাপনে এসেছিলেন রাজ্যের পরিবেশ ও পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম ব্লকের রাধানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেচন্দা গ্রামের কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে সাধারণভাবেই হুল দিবস পালিত হয়। হুল দিবসে পতাকা উত্তোলন করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এবং সিধু কানুর ছবিতে মাল্যদান করেন তিনি। প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রী নিজের দলীয় কর্মীদের নিয়ে এক দলীয় বৈঠক করেন ঝাড়গ্রাম রেঞ্জ অফিসের অকশন হলে। তারপরেই তিনি যোগ দেন কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে। যেখানে সরকারিভাবে পালিত হয় হুল দিবস। সিধু কানুর মূর্তিতে মাল্যদান এবং হুল দিবসের পতাকা উত্তলন করেন। তার পর ঝাড়গ্রামের জেলাশাসকের অফিসের সিধু কানু হলে শিক্ষামন্ত্রী বক্তব্য রাখেন। জানা যায় মঙ্গলবার এবং বুধবার এই দুদিন ধরে যে অনুষ্ঠান হওয়ার ছিল তা জেলাশাসকের অফিসের সিধু কানু হলে অনুষ্ঠিত হবে। কারণ গতকাল কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে করোনা মহামারীর সময় হুল দিবস পালন করার জন্য প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন গ্রামবাসীরা। তাই প্রতিবছরের নেয় কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে হুল দিবস কর্মসূচি হলেও কিন্তু দুদিন ধরে অনুষ্ঠান হবে জেলাশাসকের সিধু কানু হলে।

শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন “এই অনুষ্ঠানে এসে বীর শহীদদের প্রতি এবং তাদের শহীদ বেদীতে মাল্যদানের মাধ্যমে স্মরণ করা। এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা তাদের ভুলছি না। তাদের সংগ্রাম আজও বাংলার সংস্কৃতির সাথে জড়িয়ে রয়েছে।”

লালগড় ব্লকের রামগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের খাস জঙ্গল এলাকায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের ডাকে হুল দিবস উদযাপনে যোগদান করেন পরিবেশ ও পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শুভেন্দু অধিকারী খাস জঙ্গল এলাকায় সিধু কানু মোড়ের যে সিধু কানুর মূর্তি রয়েছে তাতেই মাল্যদান করেন। মাল্যদান এর পর ওই এলাকার দশটি আদিবাসী গান বাজনার সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীকে ধামসা মাদল তুলে দেন এবং আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংবর্ধনা জানান তিনি। 

রাজ্যের পরিবেশ ও পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন “সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং এলাকায় শান্তি রক্ষা করবেন। বিগত দিনে অশান্তির কারণে অনেকেই ঘরছাড়া এবং অনেকেই আহত হয়েছিলেন। আমরা সনাতন হেমরম এর দেহ তুলেছিলাম রামগড় এলাকা থেকে। সেসব দিন আজ অতীত! প্রতিবছর আমি নেতাই গ্রামে আসি একসময় আমি নেতাই থেকে রামগড় পর্যন্ত শান্তির মিছিল করেছিলাম। এটা ইতিহাস, সকলের সুস্থ্যজীবন এবং মিলেমিশে থাকার কামনা করি। আমি কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে আসিনি আর আসবো না। খাস জঙ্গলের লোক ,লালগড়ের লোক, নেতাই এর লোক, রামগড়ের লোক কেউ যদি কখনো বিপদে পড়ো আপনাদের বন্ধু শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছে যাবে।”

[qws]Tags:হুল দিবস,শুভেন্দু অধিকারী, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ,

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel