প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
জেলাভোটযুদ্ধ

“কোন এজেন্ট টাকা নিচ্ছে জানি”, চন্ডীপুরে জনসভায় দল নিয়ে আশঙ্কা মমতার

GNE NEWS DESK: দোল উৎসবের দিন পূর্ব মেদিনীপুরে নন্দীগ্রামের পাশের কেন্দ্র চণ্ডীপুরে নির্বাচনী সভা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী কয়েকদিন নন্দীগ্রামেই থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন তিনি। চন্ডিপুরে তৃণমূল প্রার্থী তারকা অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। রবিবারের সভায় সোহম সম্পর্কে মমতার বার্তা, সোহম অত্যন্ত ভাল ছেলে। ৩৬৫ দিন দলের হয়ে কাজ করে। তাই ওকে জিততে দেখতে চাই।

চণ্ডীপুরের সভা থেকে প্রথম দফার ভোট নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন মমতা। অভিযোগ করেন, উত্তরপ্রদেশ থেকে বন্দুকধারী গুন্ডা ঢুকিয়ে এনে ভোট করাচ্ছে বিজেপি।
এইদিনের সভায় মমতা তৃণমূলের কিছু এজেন্টের টাকা নেওয়া সম্পর্কেও বার্তা দেন। বলেন, কে টাকা নিচ্ছে, কার বাড়িতে ছড়াচ্ছে, সব জানি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা নির্বাচনে দলে অন্তর্ঘাতের আশঙ্কা করছেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বক্তব্যে সেই কথাই উঠে এসেছে।

নির্বাচনী জনসভায় মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে আপনাদের কাছেই ঘর ভাড়া নিয়েছি। ভোট পর্যন্ত থাকব। ভোট করিয়েই যাব। প্রার্থী নিয়ে তাঁর বার্তা, সোহম বহিরাগত নয়। ও বাংলার ছেলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মেয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহিরাগত নন। এরপরেই নাম না করে অধিকারীদের আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, কাঁথিতে এমনি জেতার ক্ষমতা নেই বাপ-জ্যাঠাদের। উত্তরপ্রদেশ থেকে বন্দুকধারী গুন্ডা এনে ভোট করাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ভারতে ৪০ শতাংশ বেকার বেড়েছে। বাংলায় দারিদ্রতা কমে গিয়েছে। বেকারত্ব কমেছে। বাংলায় এনআরসি, এনপিআর করতে দেবেন না বলেও জানান তিনি। সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্যে তৃণমূল নেত্রী বলেন, সংখ্যালঘুদের বলি, হায়দরাবাদ থেকে এসে ভোট ভাগ করতে চাইছে। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গার সময় কোথায় ছিল? বাংলায় দাঙ্গা হয়নি। আমরা বাংলায় সম্প্রীতি বজায় রেখেছি। এদের থেকে সাবধান। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মমতার কটাক্ষ, মেয়েদের ভোট দিতে দিচ্ছে না। হুমকি দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কে এত ক্ষমতা দিয়েছে? বাংলায় থাকার খরচ, খাওয়ার খরচ আমরা জোগাচ্ছি। আর এখানেই লাঠি চালাবে? কার নির্দেশে মেরেছে জানি।
জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, মারতে এলে হাতা-খুন্তি-বঁটি নিয়ে তেড়ে যাবেন। বুথ থেকে বার করে দিতে এলে বিদ্রোহ করবেন। দলীয় এজেন্টদের প্রতি তাঁর সতর্কতা, এজেন্টরা পালিয়ে যাচ্ছ। মনে রাখবে, ক্ষমা করব না। কে টাকা নিচ্ছে, কার বাড়িতে ছড়াচ্ছে, সব জানি। এমনি জেতার ক্ষমতা নেই। কাঁথি-ভগবানপুরে কারা সমঝোতা করেছে জানি। 
অধিকারী পরিবারকে মমতার কটাক্ষ, কাঁথিতে টাকা ছড়াচ্ছিল জ্যাঠার ছেলে। ওটা কার টাকা? এত পেট্রোল পাম্প, ট্রলার, লঞ্চ, সমব্যায় ব্যঙ্কে এত টাকা কোথা থেকে এল? ভাবছো জানি না? জানি আমার দোষ। চিনতে পারিনি। ভালবেসেছিলাম। এখন বুঝতে পারছি কত ভয়ঙ্কর।

একই রকমের খবর