বিশেষ সংখ্যাজাতীয়

জনপ্রতিনিধি, প্রতিশ্রুতি ও প্রতিশ্রুতিভঙ্গ : নির্বাচনী গণতন্ত্রের এক প্রশ্নচিহ্ন

✍️ শুভব্রত রানা:জনতা, জনপ্রতিনিধি ও নির্বাচন হল ভারতের গণতন্ত্রীয় পুতুলনাচের প্রধান তিনটি সুতো। এগুলির মাধ্যমেই সংসদীয় নাট্যমঞ্চে গণতন্ত্রীয় গণনাট্য পরিবেশিত হয়। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হলেন গণতন্ত্রে জনগণের উপস্থাপক এবং তাদের ভালো-মন্দের নীতিনির্ধারকও বটে। সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি নিজের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা বিবিধ চমক ঠমকে ভোটদাতাদের কাছে উপস্থাপন করেন ও নির্বাচনে জয়ী হয়ে কর্তব্যপালনের মাধ্যমে জনসেবার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। কিন্তু আজকের দিনে এই কথা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, জনপ্রতিনিধির নির্বাচন পূর্ববর্তী উপস্থাপন ও নির্বাচন পরবর্তী উন্মোচনের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিস্তর ফারাক। ঈশ্বর, জনগন, গণতন্ত্র, সংবিধানকে সাক্ষী রেখে তাঁরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন বটে কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই প্রতিশ্রুতিভঙ্গ সহজাত হয়ে ওঠে। কিন্তু তেমন তো কথা থাকে না। নির্বাচনী বক্তৃতা, ছাপানো ইস্তেহার, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে তাঁরা বারবার তাঁদের কর্মকুশলতা ও ভবিষ্যৎ কাজের সুচিপত্র আমাদের সামনে রাখেন আর বাস্তবক্ষেত্রে সেগুলির রূপায়ণ হয়ে ওঠেনা।
জনপ্রতিনিধিরা যতই নিজেদের জনতার ও গণতন্ত্রের সেবক হিসাবে অভিহিত করুন ব্যাপারটা কিন্তু মোটেও তা নয়। তাঁরা বেতনভূক কর্মচারী মাত্র। জনগনের কর্মচারী।  ১২০ কোটির দেশে সমস্ত সাধারণ মানুষের পক্ষে প্রত্যক্ষভাবে নিজের দেশের ও সমাজের নীতিনির্ধারণ অসম্ভব তাই আমরা জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচন করি ও বেতন প্রদানের মাধ্যমে তাঁদের আমাদের প্রতিনিধি হয়ে সেই কঠিন কাজগুলো করার নির্দেশ ও দায়িত্ব দিই। এই বেতনের পরিমান নেহাৎ কম নয়। কিছু তথ্য দেওয়া যাক।
আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে একজন বিধায়কের মাসিক বেতন প্রায় ২১,৮০০ টাকা, দৈনিক ভাতা ২০০০ টাকা মিলিয়ে মাসিক সাম্মানিক প্রায় ৮১৮০০ টাকা।
একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মাসিক বেতন প্রায় ২২৮০০ টাকা, দৈনিক ভাতা ৩০০০ টাকা মিলিয়ে মাসিক সাম্মানিক প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা।
মুখ্যমন্ত্রীর মাসিক বেতন প্রায় ২৭০০০ টাকা, দৈনিক ভাতা ৩০০০ টাকা মিলিয়ে মাসিক সাম্মানিক প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা।
ভারতের রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ৫ লাখ টাকা,
উপরাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ৪ লাখ টাকা, 
প্রধানমন্ত্রীর মাসিক বেতন ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা,
একজন সাংসদের মাসিক বেতন প্রায় ১ লাখ টাকা।
এখানেই শেষ নয়। এর সঙ্গে যোগ করুন তাঁদের পদমর্যাদা অনুযায়ী বিভিন্ন ভাতা। ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সর্বমোট সাম্মানিকের অঙ্কটা দেওয়া সংখ্যাসমষ্টির প্রায় দ্বিগুণ। আর এই টাকার পুরোটাই আসে আমার আপনার দেওয়া রাজস্ব থেকে অর্থাৎ আমাদের পকেট থেকে। এনারা সম্পূর্ণ আমাদের দ্বারা প্রতিপালিত। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন জাগে এত আর্থিক ও আইনী সুবিধা সত্ত্বেও কেন তাঁরা নিজেদের দায়িত্বের প্রতি দৃঢ় থাকবেন না? কেন কেবলমাত্র শপথ বাক্য পাঠের মধ্যে আবদ্ধ থাকবে তাঁদের দায়বদ্ধতা? কেন কর্তব্যপালনে ব্যর্থ হলে থাকবেনা তাঁদের আইনানুগ শাস্তির বিধান? একজন উপভোক্তা হিসাবে আমাদের প্রত্যেকের এই অধিকার থাকা উচিৎ নয় কি?
এই প্রশ্নগুলি থেকেই রাইট টু রিকল (Right To Recall) আইনের চিন্তাভাবনা। এই প্রস্তাবিত আইনটি সাংবিধানিক ভাবে বলবৎ হলে তা সাধারণ জনগণকে অধিকার দেবে নির্ধারিত সময়ের (৫ বছর) আগেই গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে বহিষ্কার করার, যদি তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি ও কর্তব্যপালনে ব্যর্থ হন।

আধুনিক ভারতে সর্বপ্রথম শচীন্দ্রনাথ সান্যাল ‘রাইট টু রিপ্লেসের’ অধিকার দাবি করেন। ডিসেম্বর, ১৯২৪ এ হিন্দুস্থান রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশনের ইস্তেহারে তিনি লেখেন, “প্রজাতন্ত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার নির্বাচকদের অবশ্যই থাকা উচিৎ, নচেৎ গণতন্ত্র উপহাসে পরিণত হবে।”

ভারতীয় গণতন্ত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকারের ব্যাপারে দীর্ঘ বির্তকের ইতিহাস আছে। গণপরিষদেও এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও বির্তক হয়েছিল। বির্তক মূলত ছিল জনগনকে ভোটদান ও নির্বাচনের অধিকারের (Right To Elect) পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার (Right To Recall) দেওয়ার বিষয়ে। যদিও ডঃ আম্বেদকর এটিকে amendment হিসাবে গ্রহণ করেননি। কিছু প্রতিনিধি গণপরিষদে এই অধিকারকে সমর্থন করেন। তাঁদের মতামত ছিল এই অধিকার জনমানসে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে এবং ভোটদানের সময় চিন্তা ভাবনার বিষয়কে সহায়তা করবে। অধিকারের বিরুদ্ধে যুক্তি ছিল, এটি জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক বিরুদ্ধাচরণ বৃদ্ধি করবে এবং অযাচিত ভাবে তাঁদের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ক্ষতিগ্রস্থ করবে। এই আলোচনায় সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলও অধিকারটির সংযুক্তিকরণের বিরোধিতা করেন। কেন্দ্রীয় স্তরে না হলেও রাজ্যস্তরে Right to Recall আইন হিসাবে প্রযুক্ত হয় ১৯৪৭ সালে উত্তরপ্রদেশে। পঞ্চায়েত স্তরে পঞ্চায়েত প্রধানের বিপক্ষে পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের অনাস্থা প্রস্তাবে এই আইন প্রয়োগের অধিকার মেলে। পরবর্তীতে একই ভাবে পঞ্চায়েত স্তরে এই আইন বলবৎ হয় আরও কিছু রাজ্যে। বর্তমানে উত্তরাখন্ড, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র ও হিমাচল প্রদেশে পঞ্চায়েত স্তরে Right to Recall আইন আছে। সাম্প্রতিক অতীতে হরিয়ানা বিধানসভাতেও এই আইনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া জনগন /ভোটারদের দ্বারা সরাসরি একটি দ্বিস্তরীয় পদ্ধতির মাধ্যমে হয়ে থাকে। প্রাথমিকভাবে ১ থেকে ২ বছরের (রাজ্য বিশেষে সময়কাল পরিবর্তিত হয়) জন্য কাজের অধিকার পঞ্চায়েত প্রধানের থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর গ্রামসভার একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটার কালেক্টরের দপ্তরে স্বাক্ষরকৃত আবেদন দাখিল করতে পারেন। এরপর গ্রামসভা প্রতিনিধিদের দ্বারা আয়োজিত গ্রামসভায় যদি গরিষ্ঠ সংখ্যক ভোটার পঞ্চায়েত প্রধানের বিপক্ষে ভোট দেন তাহলে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
যদিও উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে পঞ্চায়েত স্তরে সবচেয়ে বেশি দিন ধরে এই আইন থাকলেও এর প্রয়োগ বিশেষ দেখা যায় নি। এরজন্য প্রধানতঃ এই আইন সম্পর্কে সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করা যেতে পারে।

বর্তমানে পৌরসভা স্তরেও এই আইন বলবৎ হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং রাজস্থানে।
১৯৭০ সালে জনপ্রতিনিধিকে ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার (Right to Recall), Constitution (Amendment) বিল লোকসভায় প্রথম উপস্থাপন করেন সি.কে.চন্দ্রপ্পন এবং অটলবিহারী বাজপেয়ী তাঁকে সমর্থন করেন। কিন্তু বিলটি গৃহীত হয়নি।

২০১৬ সালে সাংসদ বরুন গান্ধী লোকসভায় ব্যক্তিগত প্রতিনিধি বিল (Private Member Bill), Representation of the People (Amendment) বিল উপস্থাপন করেন যা ছিল Right to Recall এরই প্রস্তাবিত রূপ। কিন্তু আজও কেন্দ্রীয় ভাবে এই প্রস্তাবনায় কোন আইনি সিলমোহর পড়েনি।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে Right to Recall আইনত বৈধ। সুইৎজারল্যাণ্ডে এই আইন বিভিন্ন ক্যাণ্টনে বৈধ যদিও ফেডেরাল স্তরে এখনও স্বীকৃত নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক স্টেটে ভোটার কর্তৃক গভর্নরকে ফিরিয়ে নেওয়ার অধিকার আইনত স্বীকৃত। অন্য অনেক দেশ Right to Recall কে আইনত স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছে।
যদিও ভারতীয় পরিপ্রেক্ষিতে এই আইনের যৌক্তিকতা বিচারের সময় সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উপকার ও উপকারের বিষয়গুলো একবার দেখে নেওয়া দরকার।
পক্ষে-
১। যদি জনগনের নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা থেকে থাকে তাহলে তাদের অপসারণের ক্ষমতাও থাকা প্রয়োজন।
২। Right to Recall অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক নীতি হতে পারে যা রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পূনর্বিন্যাসে সংবেদনশীল ভূমিকা নেবে।
৩। রাজনৈতিক শুদ্ধিকরণের মাধ্যমে এই আইন দুর্নীতি ও রাজনৈতিক অপরাধকে আটকাতে পারে।
৪। নির্বাচনী প্রচারে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করার সময় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পেশী প্রদর্শনের দ্বারা প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে দুর্নীতিপরায়ন প্রার্থী সংযমী হবে।
৫। কোনো নির্বাচনী ভুল পদক্ষেপ সংশোধনের জন্য জনগণকে দীর্ঘ ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে না।

বিপক্ষে-
১। ক্রমাগত পদ থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার হুমকি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
২। Recall প্রক্রিয়া ও নির্বাচন অযাচিত রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে যা স্থিতিশীল সরকার গঠনে সমস্যা তৈরী করতে পারে।
৩। প্রয়োগমূলক ভাবে বারবার এই আইনের ব্যবহার অকারনে সময়, অর্থ ও জনশক্তির অপচয় করতে পারে।
৪। এই ধরনের আইনের সুবিধা কেবলমাত্র রাজনৈতিক ভাবে সচেতন নাগরিকরাই পাবেন যা গণতান্ত্রিকসাম্যতে প্রভাব ফেলতে পারে।
৫। এই আইনের অযথা প্রয়োগ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে দিতে পারে এবং সংসদীয় পরিমন্ডলে তাদের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে পারে যা প্রকারান্তরে গণতন্ত্রকে দুর্বল করতে পারে।

এখন নিরপেক্ষ ভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে Right to Recall Act প্ৰযুক্ত হলে তা সুবিধা ও অসুবিধা দুই সৃষ্টি করতে পারে। সেক্ষেত্রে বৃহত্তর আঙ্গিকে বিচার করা উচিৎ।
স্টেট অফ মধ্যপ্রদেশ ভার্সেস শ্রী রাম সিং কেসে (Judgement Date 01/02/2000) মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট এক পর্যবেক্ষণে বলেন , একটি দুর্নীতিমুক্ত সরকার হল সমাজের প্রাথমিক চাহিদা।
কিন্তু বর্তমানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কটা প্রধানতঃ অবিশ্বাস ও সন্দেহের হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনপ্রতিনিধি সম্পর্কে একটি সাধারণ ধারণা জনমানসে তৈরি হয়েছে যে, তাঁরা সকলেই দুর্নীতিপরায়ন এবং একটি স্বচ্ছ দুর্নীতিমুক্ত সরকার গঠনে অপারগ। তাই বিতর্ক থাকলেও এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই Right to Recall নীতি জনমানসে জনপ্রতিনিধি সম্পর্কে ধারণা পরিবর্তনে সাহায্য করতে পারে যা একদিকে জনক্ষমতায়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রকেই সুদৃঢ় করবে।
জনপ্রতিনিধিদের দুর্নীতিমুক্তকরণের জন্য ভারতে গণতন্ত্রের প্রারম্ভকাল থেকে বহু আইন প্রণয়ন ও সমান্তরাল নীতি নির্ধারণ হয়েছে। কিন্তু তাতেও বিশেষ সুরাহা হয়েছে এই বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে। তা না হলে, আজও নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার, সংসদীয় গণতন্ত্রে ঘোড়া কেনাবেচার ভুড়ি ভুড়ি অভিযোগ উঠত না এবং অনেক ক্ষেত্রে কোর্টের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়ত না। সেক্ষেত্রে স্থায়ী সমাধানের জন্য Right to Recall Act যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে। এখন স্বাভাবিক বুদ্ধিতে সাধারণত কেউ নিজেই নিজের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করতে চায় না। সুতরাং সংসদীয় ক্ষেত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠ জনপ্রতিনিধিরাও যে এই বিষয়ে মৌন থাকবেন বা বিরোধিতা করবেন তা ধরে নেওয়াই যায়। তাই পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে, গণতন্ত্রের ভিত্তি অর্থাৎ জনগণ যে অদূর ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দূরদর্শিতাপূর্ন দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেবে সেই আশা করতে হবে।

তথ্যসূত্র:-

  1. “Budget 2018: Salaries of President, Vice President, Governors hiked – Times of India”
    The Times of India. 1 February 2018. Retrieved 13 February 2020.
  2. ^ “The President’s (Emoluments and) Pension Act, 1951 (Act 30 of 1951)”(PDF). Ministry of Home Affairs, Government of India. 13 May 1951. Archived from the original (PDF) on 18 June 2017. Retrieved 3 September 2017.
  3. ^ “President okays her own salary hike by 300 per cent”. The Indian Express. 3 January 2009. Retrieved 6 May 2012.
    4.^http://timesofindia.indiatimes.com/india/election-for-vice-president-to-be-held-tomorrow-here-are-the-top-10-things-to-know/articleshow/59913931.cm^
    4. asper Section 3 of “The Salaries and Allowances of Ministers Act 1952 and the rules made thereunder” (PDF). Ministry of Home Affairs. Retrieved 28 January 2019
  4. CM increases allowances of mantris, MLAs
    Times of India, Dated Jul 06, 2019
  5. Daily allowances of West Bengal MLAs, ministers increased
    OUTLOOK India, Dated Jul 05, 2019
  6. Right to Recall – Can the Indian electorates remove an elected official from office through a direct vote before their term ends?
    IPLEADERS(BLOG) Published by Akanksha Singh
  7. Journal of Constitutional and Parliamentary Studies January – December 2015″ https://ipsdelhi.org.in/wp-content/uploads/2019/06/Right-to-Recall-in-India-An-Analysis-Kota-Neelima-1.pdf
  8. ^ “CONSTITUENT ASSEMBLY OF INDIA DEBATES (PROCEEDINGS)-VOLUME IV Friday, the 18th July 1947” http://164.100.47.194/loksabha/writereaddata/cadebatefiles/C18071947.html
  9. ^ a b c “The U.P. Panchayat Raj Act, 1947 , page 32, section 14” http://panchayatiraj.up.nic.in/docs/ActsnRules/GP-Act-1947-English.pdf
    11. “उत्तराखंड पंचायतीराज अधिनियम, 2016” http://ukpanchayat.org/pdf/Panchayati-Raj-Adhiniyam-2016.pdf
    12. “THE BIHAR PANCHAYAT RAJ ACT, 2006″http://biharprd.bih.nic.in/StateActRules/ACT_Bihar%20Panchayat%20Raj%20Act%202006%20-%20English.pdf
  10. “The Jharkhand Panchayat Raj Act, 2001” https://www.legalcrystal.com/act/135070/the-jharkhand-panchayat-raj-act-2001-complete-act
  11. “The M.P. Panchayat Raj Avam Gram Swaraj Adhiniyam, 1993” http://www.bareactslive.com/MP/MP558.HTM
  12. “The Chhattisgarh Panchayat Raj Adhiniyam, 1993” http://www.bareactslive.com/Ch/CG043.HTM
    16. “THE MAHARASHTRA VILLAGE PANCHAYATS ACT” https://mahasec.maharashtra.gov.in/Site/Upload/GR/The%20Maharashtra%20Village%20Panchayts%20Act.pdf
  13. “THE HIMACHAL PRADESH PANCHAYATI RAJ ACT, 1994” https://hppanchayat.nic.in/PDF/THE%20HIMACHAL%20PRADESH%20PANCHAYATI%20RAJ%20ACT,%201994(Final).pdf
  14. “MP: ‘Right to Recall’ in Panchayats not exercised” https://zeenews.india.com/news/madhya-pradesh/mp-right-to-recall-in-panchayats-not-exercised_731873.html
  15. The Madhya Pradesh Municipalities Act, 1961″ http://www.mpurban.gov.in/pdf/MunicipalCorporationACT1961.pdf
  16. “The Chhattisgarh Municipalities Act, 1961 Complete Act” https://www.legalcrystal.com/act/134620/the-chhattisgarh-municipalities-act-1961-complete-act
  17. “बिहार नगरपालिका विधेयेक 2007” http://urban.bih.nic.in/Acts/AR-02-29-03-2007.pdf
  18. “The Jharkhand Municipal Act, 2011 Complete Act” https://www.legalcrystal.com/act/135068/the-jharkhand-municipal-act-2011-complete-act
  19. “The Rajasthan Municipalities (Amendment) Act, 2010” http://www.lawsofindia.org/pdf/rajasthan/2010/2010Rajasthan19.pdf
  20. “Social activist Anna Hazare during his protests had been campaigning for Right to Recall and right to Reject”.
  21. “Right to recall a dangerous idea” https://www.thehindubusinessline.com/opinion/right-to-recall-a-dangerous-idea/article20351844.ece1
  22. Varun Gandhi moves bill in Lok Sabha to recall MPs, MLAs for non-performance
    MINT, Dated 28 Feb, 2017
  23. Wikipedia.

Advertisement with GNE Bangla

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel