প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
রাজ্যরাজনীতি

শুভেন্দুর দলত্যাগে হুগলি-মালদা-পশ্চিম মেদিনীপুরে তৃনমূলে ভাঙ্গন, কার্যত জনশূন্য ঝাড়গ্রামে পার্থর সভা

GNE NEWS DESK: আভাস আগেই মিলেছিল। শুভেন্দু অধিকারীর দলত্যাগের সাথে তা আরও স্পষ্ট হল। বড়সড় ভাঙ্গন দেখা দিল হুগলি, মালদা, পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা তৃনমূলে। একাধিক শীর্ষ স্থানীয় নেতা ২৪ ঘন্টার মধ্যে তৃনমূল ত্যাগ করলেন। দলত্যাগের ঘটনা এখনো অব্যাহত।

দল ও পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ডানকুনি পুরসভার প্রাক্তন উপ পুরপ্রধান দেবাশিস মুখোপাধ্যায়। পদত্যাগী তৃণমূল নেতার দাবি, শুভেন্দু অধিকারীকে সমর্থন জানাতেই দলত্যাগের সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি, পিকের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি। এদিকে তৃণমূল নেতার দলত্যাগের পরই অবস্থা পর্যবেক্ষনে বৃহস্পতিবার বিকেলে ডানকুনি পুরসভার কোঅর্ডিনেটরদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলা তৃণমূল সভাপতি।

অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড়ে তৃণমূলের কিষাণ খেতমজুর সেলের জেলা সভাপতি দুলাল মণ্ডলের নেতৃত্বে বৈঠকের পর শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দল থেকে ইস্তফা দেন শতাধিক কর্মী। এই বিষয়ে জেলা তৃনমূলের প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

দীর্ঘ সময় ধরে মালদা জেলার পর্যবেক্ষক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করতেই, মালদা জেলা তৃণমূলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। মালদার বামনগোলা ব্লকে তৃণমূলের ৬টি অঞ্চল। তার মধ্যে ৫টি অঞ্চলের সভাপতিই পদত্যাগ করেছেন। পদ ছেড়েছেন জগদলার অঞ্চল সভাপতি নায়ারণচন্দ্র মণ্ডল, পাকুয়াহাটের শ্যামল মণ্ডল, চাঁদপুরের সাহেব হাঁসদা, গোবিন্দপুর-গয়েশপুরের মানিক মাহাতো ও বামনগোলার অঞ্চল সভাপতি সফিউর রহমান।

এছাড়াও পদত্যাগ করেছেন, বামনগোলা অঞ্চলের কার্যকরী সভাপতি মোস্তাফিজুর সরকার। একই সঙ্গে তৃণমূল ও পঞ্চায়েত, দুইয়েরই সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন হরিশ্চন্দ্রপুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য দ্রোণাচার্য বন্দ্যোপাধ্যায়। পদত্যাগী তৃণমূল নেতা শ্যামল মণ্ডল বলেন, ব্লক সভাপতির সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। আমরা তাই পদত্যাগ করেছি।

যদিও এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না মালদার তৃণমূল কংগ্রেসের কোঅর্ডিনেটর দুলাল সরকার। অন্যদিকে রাজ্যের রাজনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনসমাগম হল না ঝাড়গ্রামে তৃনমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সভায়। যা ঘিরে শুরু হয়েছে দোষারোপ ও পালটা দোষারোপের পালা। কার্যত ছত্রধর মাহাতোকে দায়ী করে মহাসচিবের কাছে নালিশ করেছেন জেলার এক তৃণমূল নেত্রী।

শোনা যাচ্ছে, মহাসচিব পার্থের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে জেলা তৃণমূলের অন্যতম কোঅর্ডিনেটর অজিত মাহাতো, জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান বিরবাহা সোরেন, তৃণমূলের এসটি সেলের রাজ্য সভাপতি রবিন টুডুর প্রাধান্য রয়েছে জেলা সংগঠনে। তাঁরা সংগঠনের মাথায় ছত্রধরকে মেনে নিতে পারছেন না। সূত্রের খবর, মাঠ ভরানোর জন্য জেলা ও ব্লকের বেশিরভাগ নেতা উদ্যোগই নেননি।

সবমিলিয়ে, তৃনমূলে ‘শুভেন্দু অধিকারী’ অধ্যায়ের সমাপনের সাথে তৃনমূলের সাংগঠনিক ভাঙনের সূচনা কার্যত হয়ে গিয়েছে এমনটাই অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel