প্রথম পাতা ভোট বাংলা আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা        লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
রাজ্যরাজনীতি

রেল শহরকে সাক্ষী রেখে জামা বদলের পথে একাধিক রাজনৈতিক নেতা, খড়্গপুর ও দাঁতনে শুভেন্দুর সভা ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

GNE NEWS DESK: নতুন বছরের শুরুতেই দলবদলের পর প্রথমবার রেল শহর খড়্গপুর সভা করার সম্ভাবনা শুভেন্দু অধিকারীর। গত বিধানসভা উপ-নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে শহরে জিতেছিল তৃণমূল, সেই শুভেন্দু অধিকারী এখন বিজেপিতে। এছাড়া ক্রমশ বিজেপির প্রভাব বাড়ছে। সেই সঙ্গে শুভেন্দুর সভায় একাধিক নেতা নেত্রীর দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

খড়্গপুরের এক বিজেপি নেতার দাবি, বিভিন্ন দলের বিদায়ী কাউন্সিলর, নেতা-নেত্রী সেই সভায় বিজেপিতে আসতে পারেন। তালিকায় আছেন, তৃণমূলের এক জেলা নেতা ও মুসলিম নেতা যাঁরা প্রাক্তন কাউন্সিলর। বিজেপির রাজ্য নেতা তথা রাঢ়বঙ্গের মুখপাত্র তুষার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “শুভেন্দু যে দিন চাইবেন খড়্গপুর শহরে সেদিনই সভা হবে।

সেটা দু’-একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। খড়্গপুরে তৃণমূল-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বহু নেতৃত্ব ও কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দেবে।  শুভেন্দু নিজেই সেই দায়িত্ব নিয়েছেন।  জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই আমরা এটা দেখতে পাব।”

এরআগে শুভেন্দুর মন্ত্রিত্ব ত্যাগের সিদ্ধান্তকে খড়্গপুর শহরের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা সমর্থন জানিয়েছিলেন। যুব তৃণমূলের শহর সভাপতি অসিত পালের মন্তব্য, “আমাদের হয়তো দলের প্রতি ক্ষোভ-বিক্ষোভ রয়েছে। দলে থেকেই তাঁর বিচার চাইব। কিন্তু শুভেন্দুদার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বরাবর থাকবে। প্রয়োজনে দাদার জন্য জীবন দিতেও রাজি আছি। দাদার দলবদলে শহরে প্রভাব পড়বে কি না সেটা সময় বলবে।” আরেক বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর শ্যামল রায়ের বক্তব্য, “শুভেন্দুদাকে বহু মানুষ ভালবাসে। উনি যদি খড়্গপুরে নজর দেন তবে প্রভাব তো পড়বেই।”

এছাড়া বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ২৪ শে ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করতে পারেন শুভেন্দু। ২৭ ডিসেম্বর দাঁতনে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। সেখানেও উপস্থিত থাকার কথা তাঁর। দাঁতনে শুভেন্দুর ছবি সম্বলিত ফ্লেক্স নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মনে করা হচ্ছে, শুভেন্দুর কর্মসূচি তারই পাল্টা।

বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাশ বলেন, “শুভেন্দু কর্মসূচি নিয়েছেন। সব জায়গাতেই যাবেন। দাঁতনে যেহেতু ঘৃণ্য কাজ করেছে তৃণমূল তাই আমরা মনে করেছি দাঁতনেই প্রথমে এর প্রতিবাদ হওয়া উচিত। মিছিল এবং সভা হবে।”

যদিও তৃনমূল এই সভাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেনা। দাঁতন ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রতুল দাস বলেছেন, “শুভেন্দু অধিকারী কেন, প্রধানমন্ত্রী এলেও দাঁতনের তৃণমূলের কোনও ক্ষতি করতে পারবেন না।”

নতুন বছরের শুরুতেই দলবদলের পর প্রথমবার রেল শহর খড়্গপুর সভা করার সম্ভাবনা শুভেন্দু অধিকারীর। গত বিধানসভা উপ-নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে শহরে জিতেছিল তৃণমূল, সেই শুভেন্দু অধিকারী এখন বিজেপিতে। এছাড়া ক্রমশ বিজেপির প্রভাব বাড়ছে। সেই সঙ্গে শুভেন্দুর সভায় একাধিক নেতা নেত্রীর দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

খড়্গপুরের এক বিজেপি নেতার দাবি, বিভিন্ন দলের বিদায়ী কাউন্সিলর, নেতা-নেত্রী সেই সভায় বিজেপিতে আসতে পারেন। তালিকায় আছেন, তৃণমূলের এক জেলা নেতা ও মুসলিম নেতা যাঁরা প্রাক্তন কাউন্সিলর। বিজেপির রাজ্য নেতা তথা রাঢ়বঙ্গের মুখপাত্র তুষার মুখোপাধ্যায় বলেছেন, “শুভেন্দু যে দিন চাইবেন খড়্গপুর শহরে সেদিনই সভা হবে।

সেটা দু’-একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। খড়্গপুরে তৃণমূল-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বহু নেতৃত্ব ও কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দেবে।  শুভেন্দু নিজেই সেই দায়িত্ব নিয়েছেন।  জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই আমরা এটা দেখতে পাব।”

এরআগে শুভেন্দুর মন্ত্রিত্ব ত্যাগের সিদ্ধান্তকে খড়্গপুর শহরের বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা সমর্থন জানিয়েছিলেন। যুব তৃণমূলের শহর সভাপতি অসিত পালের মন্তব্য, “আমাদের হয়তো দলের প্রতি ক্ষোভ-বিক্ষোভ রয়েছে। দলে থেকেই তাঁর বিচার চাইব। কিন্তু শুভেন্দুদার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বরাবর থাকবে। প্রয়োজনে দাদার জন্য জীবন দিতেও রাজি আছি। দাদার দলবদলে শহরে প্রভাব পড়বে কি না সেটা সময় বলবে।” আরেক বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর শ্যামল রায়ের বক্তব্য, “শুভেন্দুদাকে বহু মানুষ ভালবাসে। উনি যদি খড়্গপুরে নজর দেন তবে প্রভাব তো পড়বেই।”

এছাড়া বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ২৪ শে ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করতে পারেন শুভেন্দু। ২৭ ডিসেম্বর দাঁতনে মিছিল ও সভার কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। সেখানেও উপস্থিত থাকার কথা তাঁর। দাঁতনে শুভেন্দুর ছবি সম্বলিত ফ্লেক্স নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মনে করা হচ্ছে, শুভেন্দুর কর্মসূচি তারই পাল্টা।

বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাশ বলেন, “শুভেন্দু কর্মসূচি নিয়েছেন। সব জায়গাতেই যাবেন। দাঁতনে যেহেতু ঘৃণ্য কাজ করেছে তৃণমূল তাই আমরা মনে করেছি দাঁতনেই প্রথমে এর প্রতিবাদ হওয়া উচিত। মিছিল এবং সভা হবে।”

যদিও তৃনমূল এই সভাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেনা। দাঁতন ১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রতুল দাস বলেছেন, “শুভেন্দু অধিকারী কেন, প্রধানমন্ত্রী এলেও দাঁতনের তৃণমূলের কোনও ক্ষতি করতে পারবেন না।”

একই রকমের খবর

Back to top button
Use GNE Bangla App Install Now
Subscribe YouTube Channel