প্রথম পাতা করোনা আপডেট আজকের রাশিফল সকালের বাংলা কর্ম সন্ধান পশ্চিম বাংলা বাংলার জেলা ভারতবর্ষ বিশ্ব বাংলা খেল বাংলা প্রযুক্তি বাংলা বিনোদন বাংলা লাইফস্টাইল বাংলা EXCLUSIVE বাংলা GNE TV
রাজ্যভোটযুদ্ধ

মুকুল রায়ের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের জল্পনা, গুঞ্জন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে

GNE NEWS DESK: ২০১৭ সালে তৃণমূলে গুরুত্ব হারিয়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। তাঁর বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই রাজ্যে ক্রমশ শক্তিশালী হয়েছে বিজেপি। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে মূলত তাঁর নেতৃত্বেই অভাবনীয় সাফল্য পায় দল। মূলত তৃণমূলের নেতৃত্বের ভাঙন ধরিয়ে বিজেপিকে শক্তিশালী করেন তিনি। তাঁরই দেখানো পথে একে একে শুভেন্দু, রাজীবরা বিজেপিতে আসেন।

কিন্তু লোকসভা ভোটের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রভাবে মুকুল প্রভাব হারাতে থাকেন রাজ্য রাজনীতিতে। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ দেওয়া হলেও বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে দলের রূপরেখা ও প্রার্থী নির্ণয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি তাঁকে। এমনকি তাঁর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইচ্ছা না থাকলেও একপ্রকার দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের চাপে তিনি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দলের সার্বিক প্রচারেও তাকে বিশেষ দেখা যায়নি। কৃষ্ণনগরে নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রেই ব্যস্ত ছিলেন। নির্বাচনের সময়ে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের নির্বাচনী বক্তব্যে অন্যান্য দলত্যাগী নেতাদের আক্রমন করলেও প্রশংসা করেন মুকুলের। এরপর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে মুকুলের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল। তা আরও বাড়ল নির্বাচন পরবর্তী মুকুলের বিভিন্ন পদক্ষেপ ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে।

জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতে বিজেপির দলীয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মুকুল রায় আসেননি। শরীরিক অসুস্থতার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তিনি অনুপস্থিত থাকেন। বিজেপির নব নির্বাচিত পরিষদীয় দলের বৈঠকেও ছিলেন না তিনি। এরপর শুক্রবার বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে শপথ বাক্য পাঠ করেন প্রোটেম স্পিকার সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। অল্পক্ষণ বিধানসভায় থাকলেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রথনে কোন মন্তব্য করেননি তিনি। এরপর তাৎপর্যপূর্ন ভাবে তিনি বলেন, কিছু কিছু সময় চুপ করে থাকতে হয়। তিনি আরও বলেন, আমি এখন কিছু বলব না। যখন বলার হবে, তখন সাংবাদিকদের ডেকে নেব। মানুষের জীবনে এমন দু’একটা দিন আসে, যখন মানুষকে চুপ থাকতে হয়।

GNE

এই মন্তব্যকে ঘিরেই ফের তীব্র হয়েছে গুঞ্জন। রাজনৈতিক মহলের মতে বিজেপির সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব বেড়েছে মুকুলের। ফলে তাঁর পুরাতন দলে প্রত্যাবর্তন ঘটলে তা অস্বাভাবিক হবে না।

Related Articles

x