কুড়মি আন্দোলনকারীদের তরফে ঝাড়গ্রামের জামবনীতে ঘাঘর ঘেরা করা হল রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভূঁইয়াকে। জানানো হল, সিআরআই রিপোর্ট জাস্টিফিকেশান কেন্দ্রের কাছে পাঠানোর দাবি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপের আশ্বাস মন্ত্রীর৷

কুড়মিদের তফশিল উপজাতির তালিকাভুক্ত করা, কোড সহ সারনা ধর্মের স্বীকৃতি, কুড়মালী ভাষাকে সংবিধানের অষ্টম তপশিলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে কুড়মি সমাজের একাধিক সংগঠন। গত ১ লা এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গ কুড়মি সমাজ ও আরও কয়েকটি কুড়মি সংগঠনের ডাকে শুরু হয় ঘাঘর ঘেরা আন্দোলন। রাজ্য সরকারের কাছে সংশোধিত সিআরআই রিপোর্ট তথা সিআরআই রিপোর্টের জাস্টিফিকেশান কেন্দ্রে পাঠানোর দাবি জানানো হয়েছে আন্দোলনকারীদের তরফে।

জনপ্রিয় খবর:  Jhargram: নৃত্যে উজ্জ্বল ঝাড়গ্রামের কন্যা! কেন্দ্রীয় স্কলারশিপ পেল ১১ বছরের সমৃদ্ধি

বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রামের জামবনী মোড়ে মানস ভূঁইয়ার কনভয় ‘ঘাঘর ঘেরা’ করেন কুড়মি আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনকারীরা দাবি জানান, ২০১৭ সাল থেকে অপেক্ষা ও আন্দোলনের পরেও সিআরআই রিপোর্টের জাস্টিফিকেশান কেন্দ্রে পাঠানো হয়নি রাজ্যের তরফে। মানসবাবু জানিয়েছেন, সিআরআই রিপোর্ট ইতিমধ্যে মন্ত্রীসভায় পাশ করিয়ে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। জাস্টিফিকেশান রিপোর্টের বিষয়টি নিয়ে তিনি আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে কাগজপত্র নেন। তিনি আশ্বাস দেন, সমস্ত কাগজপত্র মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেবেন। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে আলোচনার পরে বিষয়টি নিয়ে সমাধান সূত্র বের হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন, জাতিগত সংরক্ষণের ঘোষণা কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার করতে পারে। তবুও রাজ্যের করণীয় বিষয় নিয়ে কুড়মিদের প্রতি সরকার সহানুভূতিশীল তা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা রাখতে অনুরোধ করেছেন মানসবাবু।

জনপ্রিয় খবর:  কুড়মালি-সাঁওতালি ভাষা নিয়ে হবে গবেষণা, ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মৌ স্বাক্ষর